হালিশহরের ঘটনায় নয়া মোড়

Update: January 21, 2013 17:02 IST

ছাতনাতলায় গুলি করে খুনে অভিযোগ দায়ের হল পাত্রী ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে। এবার প্রতারণা ও খুনের অভিযোগ দায়ের করলেন হালিশহরের ওই মর্মান্তিক ঘটনায় মূল অভিযুক্ত রাজীব বসুর পরিবার। পাত্রপক্ষের তরফেও রবিবার সরকার পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল।

শনিবার রাতে হালিশহরে বিয়ের আসরে ঢুকে পাত্র শৌভিক দেকে গুলি করে খুন করা হয়। ঘটনায় মূল অভিযুক্ত রাজীব  বসুও জনতার মারে মারা যান। ছেলের মৃত্যুর জন্য সুমিতা আর তার পরিবারের বিরুদ্ধেই অভিযোগ দায়ের করেছে অভিযুক্ত রাজীবের পরিবার।
  
কাঁচরাপাড়া রেল কলোনির  বাবু ব্লকের বাসিন্দা বসু পরিবারের দাবি সুমিতা ও তাঁর পরিবার তাঁদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। মর্মান্তিক ঘটনার পরে সুমিতা বারবার রাজীবের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের কথা অস্বীকার করে দাবি করেছিলেন, অনেক বছর ধরেই পান দোকানের মালিক রাজীব তাঁকে উত্যক্ত করতেন। রবিবারই সুমিতার পরিবারের বিরুদ্ধে পুলিসে অভিযোগ দায়ের করেছিল পেশায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার শৌভিকের পরিবার। সুমিতার সঙ্গে বিয়ের সময় ছাতনাতলায় রাজীবের গুলিতে নিহত হন সৌভিক। 
 

Post Your Comment

Total Comments:1

Today in Ebela newspaper it is printed that the culprit was an employee of a cloth store. Here he is a owner of a pan shop. Who is right?

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।