ব্যান্ডেলে ধৃত জেলা কংগ্রেস সভাপতিকে তোলা হল আদালতে

Update: August 16, 2012 14:06 IST

ব্যান্ডেলে কংগ্রেস নেতা দিলীপ পাসোয়ানের খুনের ঘটনার জেরে গণ্ডগোল বাধানোর অভিযোগে ধৃত জেলা কংগ্রেস সভাপতি-সহ ৪১ জনকে আদালতে পেশ করা হল বৃহস্পতিবার। ধৃতদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র হাঙ্গামা, সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস-সহ বিভিন্ন অভিযোগ এনেছে হুগলি জেলা পুলিস।

মঙ্গলবার ব্যান্ডেল গুডস ইয়ার্ডে খুন হন কংগ্রেস নেতা দিলীপ পাসোয়ান। ঘটনার প্রতিবাদে কংগ্রেস সমর্থক ও স্থানীয় বাসিন্দারা বুধবার সকালে ব্যান্ডেল মোড় অবরোধ করে। নিহত দিলীপ পাসোয়ানের ভাই অভিযোগ করেন, পুলিসি নিষ্ক্রিয়তাতেই এলাকায় সমাজবিরোধী উপদ্রব বেড়েছে। তারাই তাঁর দাদাকে খুন করেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। অবরোধ তুলতে লাঠি চালায় পুলিস। পুলিসকে লক্ষ্য করে পাল্টা ইট ছোঁড়ে ক্ষুব্ধ জনতা। সংঘর্ষে জখম হন এক মহিলা ডিএসপি-সহ ১৬ কয়েকজন পুলিস কর্মী। আহত হন কয়েকজন অবরোধকারীও।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাস ছোঁড়ে পুলিস। এরই মধ্যে পুলিসের একটি জিপে আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন পুলিস সুপার সহ উচ্চপদস্থ কর্তারা। বিক্ষোভে এলাকার কিছু দুষ্কৃতীর মদত ছিল বলে জানিয়েছেন পুলিস সুপার। অবরোধে শামিল হয়েছিলেন স্থানীয় তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান ঋতু সিং। তিনিও পুলিসি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ আনেন। পুলিসকে আক্রমণের অভিযোগে জেলা কংগ্রেস সভাপতি দিলীপ নাথ-সহ বেশ কিছু আন্দোলনকারীকে গ্রেফতার করে পুলিস। ঘটনার জেরে থমকে যায় এলাকার যান চলাচল। পরে পুলিস কর্তাদের হস্তক্ষেপে ধীরে ধীরে পরিস্থিতি শান্ত হয়।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।