কোমায় আচ্ছন্ন হোসনি মুবারক

Update: June 20, 2012 11:33 IST

চিকিত্‍সায় সাড়া না দেওয়ায় মিশরের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারককে ডাক্তারি পরিভাষায় মৃত ঘোষণা করা হয়েছে। বিশেষ সূত্র উদ্ধৃত করে এই দাবি করেছে সেদেশের সরকারি সংবাদসংস্থা মিনা।

ব্রেনস্টোকে আক্রান্ত হওয়ায় ইউরা কারাগার থেকে দক্ষিণ কায়রোর একটি সেনা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় মুবারককে। চিকিত্‍সায় সাড়া না দেওয়ায়, গতকাল রাতে মুবারককে স্থানান্তরিত করা হয় মাদি হাসপাতালে। হাসপাতাল সূত্র উল্লেখ করে সংবাদসংস্থা মিনা জানিয়েছে, সেখানে তাঁর অবস্থার আরও অবনতি হয়। থেমে যায় হৃদ স্পন্দন। অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলি ওষুধে সাড়া না দেওয়ায়, ডাক্তারি পরিভাষায় মিশরের প্রাক্তন প্রেসিডেন্টকে `ক্লিনিক্যালি ডেড` ঘোষণা করেন চিকিত্‍সকরা। তবে নাইল টিভির দাবি, মোবারক রয়েছেন ভেন্টিলেটরে। ডাক্তাররা তাঁকে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আলজাজিরার খবর, মিশরের প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটজনক। তাঁকে দেখতে মাদি হাসপাতালে গিয়েছেন তাঁর স্ত্রী সুজানা। অন্য একটি সংবাদমাধ্যমের খবর, কোমায় আক্রান্ত মোবারক।

গত বছর দেশজুড়ে সরকার বিরোধী আন্দোলনে প্রায় ৮০০ জনের মৃত্যু হয়েছিল মিশরে। ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায়, ২ জুন তাঁর বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন সাজা ঘোষণা করে আদালত।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।