কার্টুনকাণ্ডের জের: মানবাধিকার কমিশনের সামনে হাজিরা পুলিস কমিশনারের

Update: July 5, 2012 10:34 IST

কার্টুনকাণ্ডে এবার রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের সামনে হাজির হতে হল কলকাতা পুলিস কমিশনারকে। ফেসবুকে কার্টুন ফরোয়ার্ড করে অশ্লীলতার দায়ে অভিযুক্ত হয়েছিলেন অধ্যাপক অম্বিকেশ মহাপাত্র। গড়িয়া সমবায় আবাসনের এই বাসিন্দাকে স্থানীয় কয়েকজন নির্মাণ সরবরাহকারী এবং তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী মারধরও করেছিল।

`অশ্লীল` ব্যঙ্গচিত্র ইমেল করার দায়ে অধ্যাপক অম্বিকেশ মহাপাত্রকে পুলিস গ্রেফতার করে। জামিনযোগ্য ধারায় তাঁকে গ্রেফতার করা হলেও পুলিস সেই রাতে থানা থেকে তাঁকে জামিন দেয়নি। পরদিন আদালত থেকে তিনি জামিন পান। অথচ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পুলিসের ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। অভিযুক্তরা গ্রেফতার হয়ে কালবিলম্ব না করেই ছাড়া পেয়ে যায়। এই অবস্থায় রাজ্য মানবাধিকার কমিশন রিপোর্ট চায় পুলিস কমিশনারের কাছ থেকে। কিন্তু সেই রিপোর্টে সন্তুষ্ট না হওয়ায় এবার সরাসরি কমিশনারকেই তলব করেছে রাজ্য মানবাধিকার কমিশন।

Post Your Comment

Total Comments:5

I am satisfied for good news servey

Aamra jara satti satti kono dalbaji korina, soja kathata sojasuji boli, aamra ora tatye bisshas kori na r sei sange shashok doler o kono kaj bhalo lagle boli, bholo na lagle nirdidhay lekhalekhi kori ,tara jani manobadhikar commission niropeksha bichar e korben.CM er mantabya ektuo mene nite pareni atao jemon thik, temni aageo balechi, akhon aabar likchi Amborish babur chelemanushi karar o kono darkar chilo na.Beparta mite gelei bhalo hoto karon dujoner e aei samajtake kichu debar ache .Tai dujaner kachei aamra r ektu dhairjo aasha kori. R akta katha. Pinkir bapartateo aamra chai manabadhikar commission er kache police prasason leje gobore hoke. Bhison bissri babohar kora hoeche aamaderi meye(akhono porjanto) Pinkir sange.Er akta bihitaya hoya darkar. Nomoskar.

MANUSH MANOBADHIKAR COMMISSION ER PROTI AASTHA GAPPONE KORE AASHA RAKCHE JE HUMAN RIGHTS AI RAJJEYE BIJHNITO HABE NAAAAA....

Durniti te vore gache WB. Satti ak poreborton ar sikar WB ar manus.

Durniti te vore gache WB. Satti ak poreborton ar sikar WB ar manus.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।