গানে, কবিতায় হৃদি ভেসে যায়

Update: April 17, 2012 15:49 IST

কখনও কবিতা। কখনও গান। কবি জয় গোস্বামীর কণ্ঠে কবিতাপাঠ। তারপরই সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের কণ্ঠে ধ্রুপদী ছোঁয়ায় ভিন্ন সুরের গান। এভাবেই সেজেছে বিজল্পের অ্যালবাম `হৃদি ভেসে যায়`। ১৬ এপ্রিল সন্ধেয় মিউজিক ওয়ার্ল্ডে অ্যালবামটি প্রকাশ করলেন নাট্যকার ব্রাত্য বসু। উপস্থিত ছিলেন সঙ্গীতশিল্পী লোপামুদ্রা মিত্র।

অ্যালবাম প্রকাশ অনুষ্ঠানে জয় গোস্বামী বলেন, "দীর্ঘদিন ধরে সুদীপের নিজে লেখা এবং নিজেই সুর দেওয়া গানগুলো এই প্রথম কোন অ্যালবাম আকারে প্রকাশ করা হল। খুবই আনন্দের দিন। "


দীর্ঘদিনের ভাবনা বাস্তবায়িত হল সোমবার। শিল্পী সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "অ্যালবামের একটি গান কবি জয় গোস্বামীর কবিতায় সুর দিয়ে গাওয়া হয়েছে। আগামিদিনে এরকম আরও কাজ করবার ইচ্ছা রয়েছে।"



Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।