রাস্তায় উদ্ধার উচ্চমাধ্যমিকের প্রশ্নপত্র

Update: March 10, 2013 10:56 IST

উচ্চ মাধ্যমিক প্রশ্নপত্র ফাঁসের আশঙ্কা। নদিয়ার হাঁসখালিতে গাড়িতে করে প্রশ্নপত্র নিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তায় পড়ে যায় এক বান্ডিল প্রশ্নপত্র। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশ্নপত্র উদ্ধার করে জমা দেন হাঁসখালি থানায়। ঘটনায় চুড়ান্ত গাফলতির অভিযোগ উঠেছে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের বিরুদ্ধে। গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি মুক্তিনাথ চট্টোপাধ্যায়।

Post Your Comment

Total Comments:5

উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ অনুগ্রহ করে একটু দায়িত্ব নাও। এটা আমাদের ভবিষ্যতের ব্যাপার। সামনে অনেক পরীক্ষা আছে উচ্চমাধ্যমিকের পর কি করবো তার। একটি পরীক্ষা পিছিয়ে গেলে আমরা বড় রকম সমস্যার সম্মুখিন হব।

j khane school a bose drinks kore school er teacher ra....sai khane ai rakam howa ta abak ki6u noi......valo kore khati a dekhben .jara niye ja66ilo tarao..sai somoi drink kore matal 6ilo...na hole kono minister bole6e 1 bandil question bunck fele rekhe jete...........

j khane school a bose drinks kore school er teacher ra....sai khane ai rakam howa ta abak ki6u noi......valo kore khati a dekhben .jara niye ja66ilo tarao..sai somoi drink kore matal 6ilo...na hole kono minister bole6e 1 bandil question bunck fele rekhe jete...........

oi samayar dayatya prapta adhikari dar chicken vaba fry kora khata hoba.aj ai ghatana news a asacha tai sobai jana. kintu onak amon ghatana acha ja gulo satyi mana naya jai na.puro system ta ka change korta hoba.

keu baje vabben na.. asole maje maje sir der o na exam neoa utchit.. asole jara govment related work kore tara vbe amara ekjon ank boro honu..onara kaj take kaj bole mone kore na. tai kcu loker jonno aj india egote parce na....

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।