পুলিস-জনতা খণ্ডযুদ্ধে রণক্ষেত্র হাওড়া

খুনের আসামীকে ধরতে গিয়ে প্রহৃত হল পুলিস। ছোঁড়া হল ইঁট, কাচের বোতল। পুলিসের দাবি, তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি চালানোরও চেষ্টা হয়। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে মধ্য হাওড়ার ডুমুরজলা স্পোর্টিং কমপ্লেক্স সংলগ্ন এলাকায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাওড়া জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এক পুলিসকর্মীকে। হামলা চালানোর অভিযোগে তপন অধিকারী নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।  

Updated: Mar 25, 2013, 09:55 AM IST

খুনের আসামীকে ধরতে গিয়ে প্রহৃত হল পুলিস। ছোঁড়া হল ইঁট, কাচের বোতল। পুলিসের দাবি, তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি চালানোরও চেষ্টা হয়। রবিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে মধ্য হাওড়ার ডুমুরজলা স্পোর্টিং কমপ্লেক্স সংলগ্ন এলাকায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাওড়া জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এক পুলিসকর্মীকে। হামলা চালানোর অভিযোগে তপন অধিকারী নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।  
কুখ্যাত এক আসামী লুকিয়ে রয়েছে ডুমুরজলা স্টেডিয়ামের পাশ্ববর্তী এলাকায়। গোপনসূত্রে খবর পেয়ে রবিবার রাতেই এলাকায় পৌঁছে গিয়েছিল শিবপুর থানার চ্যাটার্জিহাট তদন্ত কেন্দ্রের পুলিস। দুষ্কৃতীও ধরা পড়ে যায় পুলিসের জালে। কিন্তু দুষ্কৃতীকে নিয়ে আসার সময় বাসিন্দাদের একাংশের বাধার মুখে পড়ে পুলিস। খুনে অভিযুক্ত দুষ্কৃতী নির্দোষ দাবি করতে থাকেন তারা। শুরু হয় বচসা। এরপরই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় গোটা এলাকা। পুলিসকে লক্ষ্য করে ছোঁড়া হয় ইঁট, কাচের বোতল। এমনকি পুলিসকর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর চেষ্টা হয় বলে অভিযোগ।
 
ঘটনায় গুরুতর জখম বিশ্বনাথ দাস এবং সুখেন্দু চক্রবর্তী নামে দুই পুলিসকর্মীকে দক্ষিণ হাওড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এ দু`জনেরই মাথা এবং শরীরের বিভিন্ন জায়গায় চোট লাগে। প্রাথমিক চিকিত্সার পর সুখেন্দু চক্রবর্তীকে ছেড়ে দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় বিশ্বনাথ দাসকে ভর্তি করা হয়েছে হাওড়া জেলা হাসপাতালে।