দেশের প্রথম মহিলা আদালত মালদাতে

Update: January 22, 2013 10:46 IST

দেশের প্রথম মহিলা আদালত পেতে চলেছে মালদহ। আগামী ২৩ জানুয়ারি এই মহিলা আদালতের উদ্বোধন করবেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি অরুণ মিশ্র। মহিলাদের প্রতি নির্যাতনের মামলায় দ্রুত নিষ্পত্তি ঘটাতে এই আদালত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলেই দাবি আইনজীবীদের। দিল্লি গণধর্ষণকাণ্ড। রাজধানীর বুকে এক তরুণীর ওপর নৃশংস নির্যাতনের ঘটনায় তোলপাড় হয়েছিল গোটা দেশ। এই ঘটনার পরই দেশের বিভিন্ন রাজ্যে মহিলা আদালত গড়ার বিষয়টি  আরও গুরুত্ব পায়। তেইশে জানুয়ারি মালদহে উদ্বোধন হতে চলেছে দেশের প্রথম মহিলা আদালতটির। নির্যাতনসহ মহিলাদের বিষয়ে  যাবতীয় মামলা উঠবে এই আদালতে।
কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি অরুণ মিশ্র মালদহে এই মহিলা আদালতটির উদ্বোধন করবেন বলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। বিচারক থেকে শুরু করে আদালতের  কর্মী  সবাই মহিলা হওয়ায় মহিলা সংক্রান্ত মামলাগুলির সওয়াল, জবাবের কাজ আরও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে বলেই মনে করছেন আইনজীবীরা।  

আপাতত দুজন মহিলা বিচারক ও কয়েকজন মহিলা কর্মী নিয়ে চালু হবে আদালতটি। অ্যাডিশনাল সেশন জজ ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের দুটি এজলাস থাকবে মহিলা আদালতে।







Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।