অমানবিক অটোচালক, অসুস্থকে ফেলে যাওয়ায় মৃত্যু

Update: June 29, 2012 23:42 IST

ফের অমানবিক ঘটনার সাক্ষী হল কলকাতা। গুরুতর অসুস্থ যাত্রীকে অটোয় ফেলে পালাল চালক। পরে মৃত্যু হল ওই যাত্রীর। ঘটনা ঘটেছে বেহালার চন্ডিতলায়। শুক্রবার সন্ধেয়ে চন্ডিতলা থেকে অটোতে ওঠেন গোবিন্দ গায়েন নামে এক বয়স্ক ব্যক্তি। সঙ্গে ছিলেন তাঁর মেয়ে। চলন্ত অটোয় অসুস্থ বোধ করেন গোবিন্দ গায়েন। বারিকপাড়ায় অটো থামিয়ে গোবিন্দ বাবুকে জল খাওয়ানোর চেষ্টা করা হয়। চোখেমুখে জল দেওয়া হয়। অভিযোগ, সেসময়ই পালিয়ে যায় অটোচালক। অন্য অটো ডেকে গোবিন্দ গায়েনকে বিদ্যাসাগর হাসপাতালে নিয়ে যান স্থানীয় মানুষ। হাসপাতালে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়।

এই ঘটনার প্রতিবাদে বেহালার চণ্ডিতলা এলাকায় বেশ কিছুক্ষণ অটো চলাচল বন্ধ রাখে উত্তেজিত জনতা। পরে যদিও অটো পরিষেবা স্বাভাবিক হয়।

Post Your Comment

Total Comments:2

it`s really pathetic...

Aamar akhon sondeha hai sattie Aoto chalokera aamar aapnar dada , bhai, chele ba haito nati kina. Kotha theke asheche era? Eder ki kono parichai e nei.Aamader aatmajara ki arokom habe? Biswas e korte parchi na.Era je rajneitik daler e chatrachayay thakuk na keno, aasun aamra sabai pratibad kori. Hoccheta ki asab.Prasason bole ki kichu nei.Kolkater Police Commisioner ki korte aachen, sudhu mantrider paye paye ghurlei sat khun maap? somoy hoache aei prosner jabab debar.Sabar opore janogan satyo a katha haare haare ter peachen akdol,abar ter paben onnodal.Atoeb mahamohim CM akhoni bandha korun a arajakata. Aamra r sajjha korte parchina Auto wala der oudhatya. Nomoskar

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।