তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্ধের জের, ছেঁড়া হল মুখ্যমন্ত্রীর ছবি

Update: March 17, 2013 11:48 IST

শুধু দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর বা মারামারি নয়। তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের জেরে এবার ছিঁড়ে ফেলা হল দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিও। ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের নয়াগ্রামে। আগামী কালই ঝাড়গ্রামে সফরে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর আগেই  গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে উত্তপ্ত হয়ে উঠল নয়াগ্রাম। ভাঙচুর করা হল তৃণমূলের কৃষক ক্ষেত মজুর সংগঠনের অফিস। ছিঁড়ে ফেলা হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও মুকুল রায়ের ছবি। আর এই সবের জন্য নয়াগ্রামে তৃণমূল ব্লক সভাপতি উজ্জ্বল দত্তর বিরুদ্ধেই অভিযোগ করেছেন দলের আরেক স্থানীয় নেতা

তিনি জানিয়েছেন হামলা করা হয় তাঁর স্ত্রীর উপরেও। পুলিসে শ্লীলতাহানির অভিযোগ এনেছেন আক্রান্ত নেতার স্ত্রী। ভাঙচুর করা হয় ওই নেতার দোকানও। পুলিস অবশ্য অভিযোগ নেয়নি বলে দাবি করেছেন ওই নেতার স্ত্রী। তাঁর আরও অভিযোগ থানায় গেলে উল্টে তাঁর স্বামীকেই  আটকে রাখে পুলিস। এর আগেও দলীয় কর্মীদের উপর হামলা অভিযোগ উঠেছিল এলাকার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা উজ্জ্বল দত্তের বিরুদ্ধে।

Post Your Comment

Total Comments:7

আরে বাবা! এ তো নতুন কিছু নয়। সুব্রতদা,সৌগতদা সবাই জানে এবং মানে। তবুও ক্ষমতা-মমতার লোভ।গনশক্তি কি লিখছে এটা ব্যাপার নয়। কেষ্ট কমরেড যেটা বলছে বেহালা শুনছে। আজ জল শোভন -পার্থ যা বালছে তাই বেহালাবাসী শুনছে। দলের পতাকা ছিঁড়ুক দোষ নেই। ক্ষোভ -বিক্ষোভ সবটাই পাইয়ে দেওয়া রাজনীতির ফসল। পতাকা- নীতি আজ বেহাল। এরা কেউ অমানুষ নয়। শুধুই কারবারী। আমরাও আজ আর মানুষ নই। শুধুই ভোটের বালির পাঁঠা। এরা পাঁঠাদের নেতা।

Dayk, Kamon Lage

amrai chirechi...ar 24 ghanta tmc er gostikondol er naam dichee...24 ghanta....mitha chara satti bolte voi pai...

Tell-tale sign of a rudderless, fascist party led by lady Hitler

EKNAYAKTONTRE ETAI HOYE THAKE,KE KOTO BORO DIDIR ``CHAMCHA`` TAI PROMAN KORTE SOKOLAI BASTO.

MAUBADI DALL TAI MARA MARI KORE.M=MAOUIST M=MAMATA ARTHAT TMC=TOTAL MAOUIST COMMITTEE.ETAI DEKHCHHI.

ata ki dal, nijeder maddhya maramari kare

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।