আইএসসি ও আইসিএসই-তে নজরকাড়া ফল কলকাতার

Update: May 19, 2012 18:39 IST

প্রকাশিত হল এবছরের আইসিএসই এবং আইএসসি পরীক্ষার ফল। শনিবার বিকেল তিনটেয় আনুষ্ঠানিক ভাবে বোর্ডের তরফে ফল প্রকাশ করা হয়। দুটি ক্ষেত্রেই গতবারের তুলনায় পাশের হার ০.০১ শতাংশ হারে বেড়েছে।

এ বছর আইসিএসই-তে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১ লক্ষ ৩২ হাজার ২৮২ জন। পাশ করেছে ১ লক্ষ ৩০ হাজার ৩৯৭ জন। পাশের হার ৯৮.৬২ শতাংশ। সম্ভাব্য প্রথম হয়েছেন দুজন। ধানবাদ কারমেল স্কুলের ছাত্রী মাধবী সিং এবং থানের সুলোচনা দেবী স্কুলের ছাত্রী সালাকা কুলকার্নি।  
 
এ রাজ্য থেকে আইসিএসসিতে পরীক্ষার্থীর মোট সংখ্যা ছিল ২৫,৬৬৫। পাশ করেছে ২৫,৩১২ জন। রাজ্য থেকে সম্ভাব্য প্রথম মহেশ্বরী গার্লস স্কুলের ছাত্রী নিধি চন্দক। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৯৮.৬ শতাংশ।
 
আইসিএসসিতে সম্ভাব্য দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন মোট ১১ জন। এর মধ্যে রাজ্য থেকে ৪ জন সম্ভাব্য দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। তাঁদের প্রাপ্ত নম্বর ৯৮.৪ শতাংশ। সম্ভাব্য তৃতীয় স্থানে রয়েছে ২৩ জন। এর মধ্যে রাজ্য থেকে রয়েছে ৭ জন। তাদের প্রাপ্ত নম্বর ৯৮.২ শতাংশ।    
 
আইএসসিতে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৫৯,৩৫৬ জন। পাশ করেছে ৫৭,৭২২ জন। আইএসসিতে পাশের হার ৯৭.২৫ শতাংশ। সম্ভাব্য প্রথম হয়েছেন দুবাই মডার্ন হাইস্কুলের রোহন সম্পাত। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৯৯.৫ শতাংশ।  
 
আইএসসিতে রাজ্যের পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৭,৯৬৬। পাশ করেছেন ১৭,৫৫৩ জন। রাজ্য থেকে সম্ভাব্য প্রথম হয়েছেন ক্যালকাটা বয়েজ স্কুলের রাইন সমাদ্দার। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৯৯ শতাংশ।
 
 
 
 

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।