ইসলামপুর কলেজের অধ্যক্ষ ঘেরাও

Update: March 13, 2012 10:06 IST

সময়মতো পরীক্ষার ফর্ম পূরণ না হওয়ায় প্রায় ১০ ঘণ্টা ইসলামপুর কলেজের অধ্যক্ষকে ঘেরাও করে রাখলেন হাজার খানেক ছাত্রছাত্রী। অবশেষে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর সঙ্গে দেখা করে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলে রাত ন`টা নাগাদ ঘেরাও ওঠে। তারপরই অধ্যাপক, অশিক্ষক কর্মী, অভিভাবক এবং ছাত্রছাত্রীদের প্রতিনিধিদের নিয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা হন কলেজের অধ্যক্ষ।   

সোমবার সকাল ১১টা থেকে অধ্যক্ষ উতথ্য বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘেরাও করে বিক্ষোভ শুরু করেন ছাত্রছাত্রীরা। ক্ষুব্ধ ছাত্রছাত্রীদের অভিযোগ, অধ্যক্ষের গাফিলতিতেই সময়মতো তাঁদের পরীক্ষার ফর্ম পূরণ করা সম্ভব হয়নি। ফলে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ষের ওই ছাত্রছাত্রীরা বছর নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছেন। ফর্ম পূরণের সময় পেরিয়ে যাওয়ায় ইসলামপুর কলেজের পক্ষ থেকে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়কে বিষয়টি জানানো হয়েছিল। কিন্তু উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ও জানিয়ে দেয়, আর নতুন করে ফর্ম পূরণ করা যাবে না।
 
সোমবার কলেজের উত্তপ্ত পরিস্থিতি সামলাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিস। পৌঁছন ম্যাজিস্ট্রেটও। তবুও ছাত্রছাত্রীদের ঘেরাও থেকে বিরত করা সম্ভব হয়নি।

অধ্যাপক, অশিক্ষক কর্মী, অভিভাবক এবং ছাত্রছাত্রীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে মঙ্গলবার শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে পারেন অধ্যক্ষ। আপাতত সেই আলোচনার দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন ছাত্রছাত্রীরা।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।