লালগড়ে দাঁড়িয়ে পঞ্চায়তে জোর লড়াইয়ের ডাক দিলেন জয়রাম

লালগড়ে কংগ্রেসের সভামঞ্চ থেকে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের দলের সাংগঠনিক লড়াই মজবুত করার ডাক দিলেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়নমন্ত্রী জয়রাম রমেশ। এদিন জয়রামের নজরে একদিকে ছিল রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচন, তেমনই তার নিশানায় ছিলেন মুখ্যমুন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জয়রাম বলেন, "কংগ্রেসকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে কেউ সরাতে পারবে না`। পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রদেশ কংগ্রেস নতুন রাজনৈতিক শক্তি নিয়ে লড়াই করবে বলেও মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

Updated: Dec 8, 2012, 05:06 PM IST

লালগড়ে কংগ্রেসের সভামঞ্চ থেকে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনের দলের সাংগঠনিক লড়াই মজবুত করার ডাক দিলেন কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়নমন্ত্রী জয়রাম রমেশ। এদিন জয়রামের নজরে একদিকে ছিল রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচন, তেমনই তার নিশানায় ছিলেন মুখ্যমুন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জয়রাম বলেন, "কংগ্রেসকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে কেউ সরাতে পারবে না`। পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রদেশ কংগ্রেস নতুন রাজনৈতিক শক্তি নিয়ে লড়াই করবে বলেও মন্তব্য করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।
লালগড়ে দাঁড়িয়ে রাজ্যসরকারের বিরুদ্ধে ক্ষুরধার ছিলেন রমেশ। তৃণমূল কংগ্রেসে পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিতে তিনি বলেন, "কংগ্রেস কোনও দলের বি টিম নয়।" রাজ্য সরকার কেন্দ্রের সবকটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে না বলেও মন্তব্য করেছেন রমেশ। রাজ্যে তিনটি জেলা মাও অধ্যুষিত। রাজ্যের মাওবাদীদের কথা মাথায় রেখে তিনি বলেন, "মাওবাদীদের জন্য আমাদের দরজা খোলা আছে, আমরা আলোচনা করতে চাই।" কেন্দ্রীয় সাহায্যেই গত তিন বছরে জঙ্গলমহলে পরিবর্তন এসেছে বলে দাবি করেছেন মন্ত্রী।
ঠিক এক বছর আগে শেষবার যখন জয়রাম জঙ্গলমহলে এসেছিলেন সঙ্গে ছিলেন তৎকালীন গ্রামোন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী শিশির অধিকারীর। এই একবছরে সময়টা অনেকটা পাল্টেছে। দিল্লিতে কংগ্রেসের সঙ্গ ছেড়েছে তৃণমূল। আজকে কংগ্রেসের সভায় জয়রাম রমেশের পাশাপাশি অন্য দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অধীর চৌধুরী ও দীপা দাশমুন্সীও ছিলেন। রাজ্যসরকারের ব্যর্থতা ও সন্ত্রাস নিয়ে সমালোচনা করেছেন তাঁরা। কেন্দ্রীয় রেল প্রতিমন্ত্রী অধীর চৌধুরী বলেন, "জঙ্গলমহলের মানুষের দারিদ্র-হতাশার পরিবর্তন হয়নি।" রাজ্যে একশ দিনের টাকা নয়ছয় করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলেন অধীর।