পিঙ্কির পাশে এবার গানওয়ালা

Update: July 9, 2012 20:32 IST

পিঙ্কি প্রামাণিকের হেনস্থার প্রতিবাদে গর্জে উঠল গানওয়ালার গিটার। দেশের হয়ে সোনাজয়ী এক অ্যাথলিটের লিঙ্গ পরিচয় নিয়ে সংশয় যখন মিডিয়ার শিরোনামে, তখন সেই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ শোনা গেল গায়ক-সাংসদের গলায়। ওই গানে কবীর সুমন ফুঁসে উঠেছেন প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও।

পার্ক স্ট্রীট ধর্ষণ কাণ্ডের জেরে দময়ন্তী সেনের বদলি, কিষেনজির মৃত্যু, জাগরী বাস্কের আত্মসমর্পণ অথবা কার্টুন কাণ্ডে অধ্যাপকের গ্রেফতারি। সাম্প্রতিক ইস্যুতে বারবারই গান বেঁধেছেন তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ সাংসদ। দেশের হয়ে সোনাজয়ী অ্যাথলিটের শারীরিক পরীক্ষার ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে এমএমএস হিসেবে। সেই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভও প্রকাশ পেয়েছে সুমনের গানের কলিতে। গানটি সম্প্রতি নিজস্ব ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছেন কবীর সুমন। পিঙ্কিকে হেনস্থার প্রতিবাদে সরব হয়েছে রাজ্য মানবাধিকার কমিশনও। ফেসবুকেও আছড়ে পড়েছে সতর্ক নাগরিকি প্রতিবাদ।
 

Post Your Comment

Total Comments:3

o ganwala ar akta gan gao. amader ai nosto samay nie. tomar jagoron amader praner spondoner motoi proyojon.gan diye biddho koro bandha samay.

Keu sona peyeche bole ja khusi korbe seta to mene newa jay na...chele hoe meyer mato seje o ja ja koreche seta khubi lajjar bishoy.aj ato gan beroche thik ache.pinki nam nie se ja ja koreche tar protibade to golay gan ase ni karor..??

Keu sona peyeche bole ja khusi korbe seta to mene newa jay na...chele hoe meyer mato seje o ja ja koreche seta khubi lajjar bishoy.aj ato gan beroche thik ache.pinki nam nie se ja ja koreche tar protibade to golay gan ase ni karor..??

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।