অশালীনতার নজির গড়ে বিরোধীদের হাত ভেঙে দেওয়ার হুমকি কল্যাণের

Last Updated: Monday, April 15, 2013 - 11:02

দিল্লি কাণ্ডের পর সিপিআইএমকে দেখে নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর। তার ফল হাতেনাতে  পেয়েছে রাজ্য। হিংসার রেশ কাটার আগেই ফের সর্বনাশের হুঁশিয়ারি। এবার তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলায়। রবিবার কোন্নগরে তৃণমূলের এক সভায় রীতিমতো নাম করে সিপিআইএম থেকে কংগ্রেস নেতাদের বিরুদ্ধে আক্রমণ হানেন শ্রীরামপুরের সাংসদ। সেই আক্রমণ পেরিয়ে গেছে শালীনতার গণ্ডি।      
অশালীনতার দৃষ্টান্ত এর আগেও তৈরি করেছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। ফের সেই কাজটাই করলেন।
বিরোধীদের হাত ভেঙ্গে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন এই তৃণমূল সাংসদ। শুধু তাই নয় শালীনতার সব সীমা টপকে বিরোধী দলনেতাকে প্রয়োজনে ন্যাড়া করে দেওয়ার দেওয়ার হুমকিও দিলেন কল্যাণ। তাঁর আক্রমণের নিশানা থেকে রক্ষা পেলেন না প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য্যও। এসএফআই নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে জেলে পুড়তে উদ্যোগী না হলে বুদ্ধদেব বাবুর বাংলায় জন্মগ্রহণ করার অধিকার নেই বলে মন্তব্য করলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।
তাঁর অশালীন আক্রমণ থেকে বাঁচল না কংগ্রেসও। প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ ভট্টাচার্য্যকে গুন্ডা সম্বোধন করে কল্যাণ বাবু তাঁকে সরাসরি `শিক্ষা` দেওয়ার হুমকি দিলেন।
শিক্ষা দেওয়ার কিংবা দেখে নেওয়ার হুঁশিয়ারি অবশ্য নতুন নয় তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনীতিতে।
 দিল্লিতে অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের নিগ্রহের পর সিপিআইএমকে দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর দেখে নেওয়ার ইঙ্গিত বুঝতে দেরি করেননি তাঁর দলের কর্মীরা। জেলায় জেলায় ঘটেছে তার প্রতিফলন।
সিপিআইএমের দলীয় কার্যালয় থেকে কর্মী-সমর্থকদের বাড়িঘর ভাঙচুর, আগুন লাগানো কোনও কিছুই বাদ যায়নি শাসক দলের তাণ্ডব থেকে।  
হুঁশিয়ারি, হুমকি, অশালীন আক্রমণ। ফের কি হিংসার রাজনীতিকেই উসকে দেওয়ার চেষ্টা, প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলে।  



First Published: Monday, April 15, 2013 - 11:02


comments powered by Disqus