ভারতের পাফর্মেন্সে বেজায় অখুশি কোহলি

Update: September 21, 2012 15:24 IST

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে দুর্বল আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে জয়কে কঠিন করে তোলার জন্য বোলারদের দায়ী করলেন বিরাট কোহলি। ভারতের সহঅধিনায়ক মনে করেন আরও বড় ব্যবধানে ভারতের জেতা উচিত ছিল।

কোহলি বলেন শেষ দিকের ওভারগুলিতে ছন্দ হারিয়ে ফেলছেন বোলাররা। এই জায়গাটিতে নজর না দিলে ইংল্যান্ডের মতো শক্ত প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে বিপদে পড়তে হতে পারে। এর পাশাপাশি, প্রথম সারির ব্যাটসম্যানদের ফর্ম নিয়েও চিন্তিত ভারতীয় ইয়ং স্টার। বিশেষ করে দুই ওপেনার গৌতম গম্ভীর ও বীরেন্দ্র সেওয়াগের অফ ফর্ম তাঁকে ভাবাচ্ছে। যদিও তিনি আশা করেন দ্রুত ছন্দে ফিরবেন এই দুই সিনিয়র ব্যাটসম্যান।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।