জঙ্গলমহলে বিশবাঁও জলে কৃষিবন্ধু প্রকল্প

জঙ্গলমহলের উন্নয়নের জন্য হত দুবছরে একগুচ্ছ প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে একাধিক প্রস্তাবিত প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে এখন কার্যত ধন্দ্বে জঙ্গমহলের বাসিন্দারা। ঝাড়গ্রামের প্রতিটি ব্লকে কৃষিবন্ধু প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।  তবে বছর দুয়েক বাদে এখনও বিশ বাঁও জলে প্রকল্পের কাজ। এলাকায় কৃষিবন্ধুর কোনও দেখাই মেলেনি বলে অভিযোগ লালগড় সহ ঝাড়গ্রামের  বাসিন্দাদের।  দুহাজার এগারো সালে ঝাড়গ্রামে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন প্রতিটি ব্লকে নিয়োগ করা হবে পঞ্চাশ জন করে কৃষিবন্ধু। মাসে চার হাজার টাকা বেতনের বিনিময়ে এই কৃষিবন্ধুরাই স্থানীয় কৃষকদের চাষবাস সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যায় পরামর্শ দেবেন। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে কর্মসংস্থানের পাশপাশি এলাকার কৃষিজীবী মানুষের অনেক সমস্যার সুরাহার আশা ছিল। কিন্তু প্রায় দু বছর কেটে গেলেও বিশ বাঁও জলে সেই প্রকল্প। লালগড়ের বাসিন্দাদের অভিযোগ, এখনও কৃষিবন্ধুদের দেখা মেলেনি এলাকায়।

Updated: May 18, 2013, 10:55 AM IST

জঙ্গলমহলের উন্নয়নের জন্য হত দুবছরে একগুচ্ছ প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে একাধিক প্রস্তাবিত প্রকল্পের বাস্তবায়ন নিয়ে এখন কার্যত ধন্দ্বে জঙ্গমহলের বাসিন্দারা। ঝাড়গ্রামের প্রতিটি ব্লকে কৃষিবন্ধু প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী।  তবে বছর দুয়েক বাদে এখনও বিশ বাঁও জলে প্রকল্পের কাজ। এলাকায় কৃষিবন্ধুর কোনও দেখাই মেলেনি বলে অভিযোগ লালগড় সহ ঝাড়গ্রামের  বাসিন্দাদের।  দুহাজার এগারো সালে ঝাড়গ্রামে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছিলেন প্রতিটি ব্লকে নিয়োগ করা হবে পঞ্চাশ জন করে কৃষিবন্ধু। মাসে চার হাজার টাকা বেতনের বিনিময়ে এই কৃষিবন্ধুরাই স্থানীয় কৃষকদের চাষবাস সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যায় পরামর্শ দেবেন। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে কর্মসংস্থানের পাশপাশি এলাকার কৃষিজীবী মানুষের অনেক সমস্যার সুরাহার আশা ছিল। কিন্তু প্রায় দু বছর কেটে গেলেও বিশ বাঁও জলে সেই প্রকল্প। লালগড়ের বাসিন্দাদের অভিযোগ, এখনও কৃষিবন্ধুদের দেখা মেলেনি এলাকায়।
রাজ্য সরকারের কাছ থেকে কৃষিবন্ধু নিয়োগ সংক্রান্ত কোনও নির্দেশ পঞ্চায়েত সমিতির কাছে এখনও আসেনি বলেই জানিয়েছেন কাটাপাহাড়ি পঞ্চায়েতের উপপ্রধান। তাঁর অভিযোগ, জঙ্গলমহলের উন্নয়নে গত দুবছরে মুখ্যমন্ত্রী ঢালাও প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবায়িত হয়নি তার সিকিভাগও।
দু`বছর কেটে গেলেও মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার বাস্তবায়ন যে হয়নি তা কার্যত মেনে নিলেন বিনপুর এক নম্বর ব্লকের তৃণমূল সভাপতিও।
দু`বছরেও কেন নিয়োগ হল না কৃষিবন্ধু? তারও সাফাই দিয়েছেন তৃণমূল ব্লকসভাপতি।
জেলা তৃণমূলের যুক্তি সরকারি কোষাগার শুন্য, তাই মুখ্যমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হতে পারেনি। তবে কী করে দেদার টাকা খরচ করে  
রাজ্য সরকারের দু বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে জেলায় জেলায় অনুষ্ঠান চলছে? কোথা থেকে আসছে এতবড় কর্মযজ্ঞের টাকা?  বিতর্ক দানা বেঁধেছে ইতিমধ্যেই।