তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে উঠল জোর করে জমি কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ

নেত্রী বরাবরই জোর করে জমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে। এমনকী প্রমোটাররাজ, সিন্ডিকেটরাজকে প্রশ্রয় না দেওয়ার জন্য বারবারই দলের নেতা-কর্মীদের বার্তা দিয়েছেন তিনি। অথচ তাঁর দলের বিধায়ক এবং জেলা সভাপতির বিরুদ্ধেই জোর করে জমি কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠল। অভিযোগ, গোটা একটা আদিবাসী গ্রামকেই উত্‍খাত করে দিতে চাইছেন মধ্যমগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক রথীন ঘোষ এবং উত্তর চব্বিশ পরগনার তৃণমূল জেলা সভাপতি নির্মল ঘোষ।

Updated: Mar 5, 2013, 03:37 PM IST

নেত্রী বরাবরই জোর করে জমি অধিগ্রহণের বিরুদ্ধে। এমনকী প্রমোটাররাজ, সিন্ডিকেটরাজকে প্রশ্রয় না দেওয়ার জন্য বারবারই দলের নেতা-কর্মীদের বার্তা দিয়েছেন তিনি। অথচ তাঁর দলের বিধায়ক এবং জেলা সভাপতির বিরুদ্ধেই জোর করে জমি কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠল। অভিযোগ, গোটা একটা আদিবাসী গ্রামকেই উত্‍খাত করে দিতে চাইছেন মধ্যমগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক রথীন ঘোষ এবং উত্তর চব্বিশ পরগনার তৃণমূল জেলা সভাপতি নির্মল ঘোষ।
স্থানীয় এক প্রমোটার চক্রকে মদত দিচ্ছেন তাঁরা। মধ্যমগ্রামের দোলতলায় তিরিশ বছরেরও বেশি সময় ধরে রয়েছেন লক্ষ্মীরানি মুর্মু, নন্দলাল ওঁরাওরা। তাঁদের কাছে জমির বৈধ কাগজপত্রও রয়েছে। বাসিন্দাদের দাবি, পুরসভাকে নিয়মিত ট্যাক্সও দেন তাঁরা। অভিযোগ, তা সত্ত্বেও টাকা নিয়ে জমি ছেড়ে দেওয়ার জন্য স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব ক্রমাগত তাঁদের চাপ দিচ্ছেন। বিষয়টি জানিয়ে জেলার ভূমি রাজস্ব দফতর, জেলাশাসক, এমনকি মুখ্যমন্ত্রীকেও চিঠি দিয়েছেন বাসিন্দারা। তৃণমূল নেতৃত্ব অবশ্য যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে।