রেলে প্রকল্পের জন্য প্রয়োজন জমি অধিগ্রহণ: অধীর

Update: November 26, 2012 13:57 IST

রেলের প্রকল্প বাড়াতে হলে জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন। তবে জমির পরিবর্তে চাকরি দেওয়া সম্ভব নয়। আজ কাঁচরাপাড়ায় রেলের অনুষ্ঠানে এসে সাংবাদিকদের একথা বললেন অধীর চৌধুরী। জমির পরিবর্তে চাকরি দিতে হলে রেল চালানোই অসম্ভব হয়ে উঠবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, শুধু প্রতিশ্রুতির জন্য প্রতিশ্রুতি নয়, বাংলায় রেলের সম্পত্তি ও প্রকল্প বাঁচাতে যাবতীয় উদ্যোগ নেবে রেল।

আজ কাঁচরাপাড়া ওয়ার্কশপের দেড়শো বছর পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে এসে এ কথা বলেন রেল প্রতিমন্ত্রী অধীর চৌধুরী। একই সঙ্গে কাঁচরাপাড়ায় একটি রেল মিউজিয়াম গড়ে তোলার কথাও ঘোষণা করেন তিনি।

পূর্ব রেলের দেড়শো বছর পূর্তিতে কাঁচরাপাড়া ওয়ার্কশপে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন রেল প্রতিমন্ত্রী অধীররঞ্জন চৌধুরী। রেল ইনস্টিটিউটের মাঠে  একটি জনসভাও করলেন তিনি। গতকাল থেকেই এই সভাকে কেন্দ্র করে বীজপুর এলাকায় তৈরি হয়েছিল চাপা উত্তেজনা। অধীর চৌধুরীর সভাস্থলের রাস্তা মুড়ে ফেলা হয়েছিল তৃণমূলের পতাকায়। সঙ্গে ছিল রেল প্রতিমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে নানা ধরনের ব্যাঙ্গাত্মক ব্যানার, ফেস্টুন। সভার পর, আজ নিউ গড়িয়া হল্ট স্টেশনেরও উদ্বোধন করবেন রেল প্রতিমন্ত্রী অধীর চৌধুরী।





Post Your Comment

Total Comments:2

Ami Kanchrapara ta thaki. Akhana Trinammul ajker sobha niya ja koravha tar jonno ami protibad janai. Karon Adhir Choudhary aj kono politacal meeting ar jonno asa ni. Tini Rail ar program a asachilen.

Ami Kanchrapara ta thaki. Akhana Trinammul ajker sobha niya ja koravha tar jonno ami protibad janai. Karon Adhir Choudhary aj kono politacal meeting ar jonno asa ni. Tini Rail ar program a asachilen.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।