হাসনাবাদে রাজনৈতিক সন্ত্রাসের বলি বামনেতা, কাঠগোড়ায় তৃণমূল

আরও একবার রাজনৈতিক সন্ত্রাসের বলি হলেন এক বামনেতা। এ বার হামলার শিকার হাসনাবাদ পঞ্চায়েত সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি জাহাঙ্গির আলম। গতকাল রাত ১০টা নাগাদ বাড়ি ফেরার পথে খুব কাছ থেকে তাঁকে গুলি করে পালায় দু্ষ্কৃতীরা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। দীর্ঘক্ষণ গোটা গ্রাম ঘিরে রাখেন মানুষ। বিক্ষোভের মুখে বিশাল পুলিস গিয়ে জাহাঙ্গির আলমের দেহ উদ্ধার করে। এই ঘটনার জন্য শাসক দল তৃণমূলকেই কাঠগড়ায় তুলেছে সিপিআইএম। আজ মহাকরণের সামনে নিহত নেতার দেহ নিয়ে এসে বিক্ষোভ দেখাবে সিপিআইএম।  

Updated: Sep 10, 2013, 10:01 AM IST

আরও একবার রাজনৈতিক সন্ত্রাসের বলি হলেন এক বামনেতা। এ বার হামলার শিকার হাসনাবাদ পঞ্চায়েত সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি জাহাঙ্গির আলম। গতকাল রাত ১০টা নাগাদ বাড়ি ফেরার পথে খুব কাছ থেকে তাঁকে গুলি করে পালায় দু্ষ্কৃতীরা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। দীর্ঘক্ষণ গোটা গ্রাম ঘিরে রাখেন মানুষ। বিক্ষোভের মুখে
বিশাল পুলিস গিয়ে জাহাঙ্গির আলমের দেহ উদ্ধার করে। এই ঘটনার জন্য শাসক দল তৃণমূলকেই কাঠগড়ায় তুলেছে সিপিআইএম। আজ মহাকরণের সামনে নিহত নেতার দেহ নিয়ে এসে বিক্ষোভ দেখাবে সিপিআইএম।  
রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসা, সন্ত্রাস আর খুন-জখমের ট্র্যাডিশন অব্যাহত। গত ৩১ অগাস্ট হাসনাবাদ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন সিপিআইএম নেতা জাহাঙ্গির আলম। সোমবার রাত ১০টা নাগাদ তালপুকুর এলাকা থেকে সাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। তকিপুর চারাবটতলার কাছাকাছি পৌঁছলে হঠাতই কয়েকজন দুষ্কৃতী মোটর সাইকেলে এসে খুব কাছ থেকে জাহাঙ্গির আলমের মাথায় গুলি করে পালিয়ে যায়।
 
ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় বছর ৫০-এর জাহাঙ্গির আলমের। বেশ কিছুক্ষণ এখানেই পড়ে থাকে তাঁর দেহ। এই খবর জানাজানি হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন গ্রামবাসীরা। তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে মুহূর্তে। ঘিরে রাখা হয় গোটা গ্রাম। এরপর গভীর রাতে বিশাল পুলিস বাহিনী গ্রামে ঢুকে তাঁর দেহ উদ্ধার করে।
 
মঙ্গলবার ময়নাতদন্তের পর মহাকরণে জাহাঙ্গির আলমের দেহ নিয়ে এসে বিক্ষোভ দেখানো হবে বলে সিপিআইএম সূত্রে খবর।