নির্ঘণ্ট ঘোষণা রাজ্যের, ভাঙড়েই ভোট যুদ্ধে নামল বামেরা

Update: March 23, 2013 12:57 IST

২৬ এপ্রিল জেলায় পঞ্চায়েত ভোটের ঘোষণার পরেই দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভোটপ্রচারে নামল সিপিআইএম নেতৃত্ব। রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসার  প্রতিবাদ, ঘরছাড়া দলীয় কর্মীদের ঘরে ফেরানোর দাবি সহ একাধিক ইস্যুতে আজ ভাঙড়ে মিছিল-সমাবেশের ডাক দিয়েছে সিপিআইএম।

সকাল সাড়ে নটা নাগাদ কেএলসি থানার কাঁটাতলা থেকে শুরু হওয়া মিছিলে পা মেলান রেজ্জাক মোল্লা, সত্তার মোল্লা সহ একাধিক নেতানেত্রীরা। কাঁটাতলায় সিপিআইএমের দলীয় কার্যালয় সামনে থেকে শুরু হয় মিছিল। গত ৬ জানুয়ারি এই কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ এবং রেজ্জাক মোল্লাকে শারীরিক আক্রমণের অভিযোগ উঠেছিল শাসকদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। 

সিপিআইএমের দাবি, ওই ঘটনার পর থেকেই দলের বহু কর্মী-সমর্থক ঘরছাড়া। তাই পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে দলীয় কর্মীদের ঘরে ফেরানোর উদ্যোগে এবার পথে নামল সিপিআইএম নেতৃত্ব।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।