রুপোলী অনুষ্ঠানে শেষ হল লন্ডন অলিম্পিক

Update: August 13, 2012 12:05 IST


তিনঘণ্টার জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে শেষ হল লন্ডন অলিম্পিক ২০১২। রবিবার রাতে অলিম্পিক পার্কে অনুষ্ঠিত হয় বর্ণাঢ্য এই সমাপ্তি অনুষ্ঠান। জন লেনন থেকে স্পাইস গার্লস, সকলের সুরে সুর মিলিয়ে নেচে ওঠে গোটা বিশ্ব। ঐতিহ্যের সঙ্গে মিলেমিশে এক হয়ে যায় বর্তমান। সেইসঙ্গে ভবিষ্যতের ছাপ রেখে সাম্বার জাদুও দেখা গিয়েছে অনুষ্ঠান মঞ্চে। লন্ডনের ঘড়িতে তখন রাত নটা। আর ভারতীয় সময় রবিবার রাত দেড়টায়, নীলাভ আলোয় ভেসে যাচ্ছে চারদিক। এরকমই এক মায়াবী পরিবেশে শুরু হল অলিম্পিকের সমাপ্তি অনুষ্ঠান।

সমাপ্তি অনুষ্ঠানের প্রথমে ছিল এমিলি স্যাণ্ডের গান। এরপর আসে থিয়েটার গ্রুপ স্টম্প। তালে-ছন্দে মেতে ওঠে অলিম্পিক পার্কের প্রতিটি কোণা। কখনও ম্যাডনেস ব্যান্ড, আবার কখনও পেট শপ বয়েজের দুরন্ত গান মন মজিয়েছে রাতের মন্ডনের।

একের পর এক নজরকাড়া পারফরমেন্সের মধ্যে দিয়ে স্টেডিয়ামের প্রত্যেক প্রান্ত থেকে ভিতরে প্রবেশ করতে শুরু করেন প্রতিযোগীরা। দুশো চারটি দেশ। দশ হাজারের বেশি প্রতিযোগী। তাদের নিয়েই শুরু হয় শেষ প্যারেড।  কয়েক মুহুর্ত পর পালা আসে পুরুষদের ম্যারাথনে বিজয়ীদের পদক দেওয়ার । প্রথামেনেই সমাপ্তি অনুষ্ঠানে এই সম্মান দেওয়া হয়।  
 
জন লেননকে শ্রদ্ধা জানিয়ে বিশেষ এক পরিবেশনা ছিল সমাপ্তি অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষন। পরিবেশনায় ছিলেন শতাধিক শিল্পী। বাদ পরেনি ভারতও। এরই মধ্যে আবার পাওয়া গেল ভারতীয় সংস্কৃতির আস্বাদ। অলিম্পিকের মঞ্চে দেখা গেল ভাংরার জাদু।  

একের পর এক ধাপ পেরিয়ে অবশেষে এল সেই মুহুর্ত। আনুষ্ঠানিকভাবে অলিম্পিক ফ্ল্যাগ রিও দি জেনেইরোর মেয়রের হাতে তুলে দিলেন ইন্টারন্যাশনাল অলিম্পিক কমিটির প্রেসিডেন্ট। ২০১৬ র অলিম্পিকের আসর বসবে ব্রাজিলের ওই শহরেই। সব শেষে সাম্বার সুর-তালে ভাসল চারদিক। শেষ হল ২০১২ লন্ডন অলিম্পিক যাত্রা। চার বছর পর আবার জ্বলে ওঠার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নিভে গেল মশাল।






Post Your Comment

Total Comments:1

thanks 24ghanta news

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।