মধ্যরাতে দুষ্কৃতী হামলা মালা রায়ের বাড়িতে

Update: June 12, 2012 14:45 IST

মধ্যরাতে কংগ্রেস কাউন্সিলর মালা রায়ের বাড়িতে হামলা চালালো একদল মদ্যপ দুষ্কৃতী। সোমবার রাত দেড়টা নাগাদ দক্ষিণ কলকাতার মুদিয়ালির কাছে প্রতাপাদিত্য রোডে মালা রায়ের বাড়িতে চড়াও হয়া প্রায় থেকে দেড়শো থেকে দুশো জন দুষ্কৃতী। ঘটনায় তৃণমূলের দিকেই আঙুল তুলেছেন মালা রায়।

গতকাল রাতে প্রতাপাদিত্য রোড এলাকায় লোডশেডিং হয়ে যায়। ফোন করে অভিযোগ করা সত্ত্বেও সিইএসই দেরি করে পৌঁছনোয় ভোর পর্যন্ত লোডশেডিং চলে এলাকায়। তারই সুযোগ নিয়ে দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। এলাকায় দীর্ঘকাল লোডশেডিং চলার জন্য মালা রায়কেই দায়ী করে অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালাজও করে দুষ্কৃতীরা।

হামলার সময় দুই ছেলে মেয়ের সঙ্গে বাড়িতে ছিলেন মালা রায়। তাঁর স্বামী নির্বেদ রায় সেইসময় মালদায় ছিলেন। হামলাকারীরা সকলেই স্থানীয় বাসিন্দা বলে জানিয়েছেন কংগ্রেস নেত্রী। ঘটনায় পুলিসি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও তোলা হয়েছে।

বিধানসভা নির্বাচনে জোট করলেও ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তৃণমূলের সঙ্গে ক্রমশই দুরত্ব বেড়েছে কংগ্রেসে। পুরভোটে কংগ্রেস একলা চলার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর থেকেই বার বার তাঁদের কর্মীরা তৃণমূলের হাতে আক্রান্ত হয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেছে কংগ্রেস। এই অবস্থায় দক্ষিণ কলকাতায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খাসতালুকে মালা রায়ের বাড়িতে হামলার ঘটনা দুই দলের সম্পর্ককে আরও তিক্ত করবে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।







Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।