মালদায় সিপিআইএম কর্মীর ওপর হামলা

Update: February 4, 2013 11:36 IST

মালদার ইংরেজবাজার বিধানসভা উপনির্বাচনের আগে সেখানকার এক সিপিআইএম কর্মী এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের ওপর হামলা চালাল দুষ্কৃতীরা। অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। সিপিআইএমের কর্মিসভায় যোগ দেওয়ায় বুদ্ধ মণ্ডল নামে ওই কর্মী এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।  যদিও এ বিষয়ে ক্যামেরার সামনে মুখ খুলতে চাননি তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব।

সামনেই বিধানসভা উপনির্বাচন। ইংরেজবাজার পুর এলাকার বেশ কয়েকটি ওয়ার্ড মিলিয়ে রবিবার দুপুরে স্থানীয় মালঞ্চপল্লি হাইস্কুলে কর্মিসভার আয়োজন করে সিপিআইএম। সেই কর্মিসভায় যোগ দেন তিন নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা, সিপিআইএম কর্মী বুদ্ধ মণ্ডল ও তাঁর পরিবার। অভিযোগ, সন্ধেবেলা ফেরার পথে তাঁদের হুমকি দেয় স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা। রাতে ফের বুদ্ধ মণ্ডলের বাড়িতে হানা দেয় তারা।  অভিযোগ,সিপিআইএম করে এলাকায় থাকতে গেলে জরিমানা বাবদ বেশ কয়েক বস্তা সিমেন্ট দাবি করে তৃণমূল কর্মীরা। রাজি না হলে বুদ্ধ মণ্ডলের পরিবারের সদস্যদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।

 স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী বিফল সরকার, দীপু মণ্ডল, বিশ্বনাথ মণ্ডল এবং পিলু মণ্ডলের বিরুদ্ধে ইংরেজবাজার থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছে। ঘটনার নিন্দা করেছে সিপিআইএম নেতৃত্ব। পুলিস ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। যদিও এই ঘটনা নিয়ে ক্যামেরার সামনে মুখ খোলেনি তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব।





Post Your Comment

Total Comments:5

maldate krishnendu harbe tay jene cpim kormi der upar parikalpita hamla amar mane hay.

Rattale snake thake sabdhan

ghatona r ninda koray daay sarlay hawbay na marer bodla vote bank toiri koray woochit sikha d tay haw bay ta na holay paar pay jabay....aaj k prosason human act nei keo jawar o nei tay na...

SUDHU MALDAH KENO,AAJ POSCHIM BONGE SOMOSTO JELATE CAPM TATHA SOB BABPONTHIRA AKRANTO, TRINOMULER BIKHUBDO GOSTIKEO CHAR DICHENA.

Ora Bhoy peyeche. Aare Ato voy kisher? je dalke durbin diye dekte hoy, taar jonno ato voy?

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।