বন্ধাত্বকরণের পর চূড়ান্ত অবহেলা, কাঠগড়ায় মালদহের হাসপাতাল

Update: February 6, 2013 18:56 IST

পরিকাঠামো ছাড়াই একশোরও বেশি মহিলার বন্ধ্যাত্বকরণের পর তাঁদের রাস্তায় ফেলে রাখা হল। চাঞ্চল্যকর এই অভিযোগ উঠল মালদহের মানিকচক গ্রামীণ হাসপাতালের বিরুদ্ধে।

ঘটনাচক্রে হাসপাতালটি রাজ্যে নারী ও শিশুকল্যাণমন্ত্রী সাবিত্রী মিত্রের নির্বাচনী কেন্দ্রের আওতায় পড়ে। অভিযোগ, মঙ্গলবার সকালে শতাধিক মহিলার বন্ধ্যাত্বকরণের অস্ত্রোপচার হয়।

নিয়ম অনুযায়ী একজন চিকিত্সক দিনে ২৪ থেকে ২৫টির বেশি এই ধরনের অস্ত্রোপচার করতে পারেন না। অভিযোগ উঠেছে মাত্র তিনজন চিকিত্সক ওই ১১০ জন মহিলার অস্ত্রোপচার করেন। তাঁদের মধ্যে বিশেষজ্ঞ চিকিত্সক ছিলেন মাত্র এক জন। এখানেই শেষ নয়, অস্ত্রোপচারের পর খোলা মাঠে ফেলে রাখা হয় তাঁদের। ওই মহিলাদের জন্য অ্যাম্বুলেন্সেরও কোনও ব্যবস্থা ছিল না। ভ্যান রিকশা করে বাড়ি ফেরেন তাঁরা। 

ঘটনা সামনে আসায় নড়েচড়ে বসেছে জেলা প্রশাসন। ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক। কী করে পর্যাপ্ত চিকিত্সক ছাড়াই শতাধিক মহিলার বন্ধ্যাত্বকরণ করা হল, এবং চূড়ান্ত অমানবিকভাবে তাঁদের খোলা মাঠে ফেলে রাখা হল, তা খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

Post Your Comment

Total Comments:1

it seems ,govt is targeting only hindus, hindu adibasis. for this birth control.as per the picture.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।