কামদুনিতে মেজাজ হারিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বললেন, চুপ করুন

গণধর্ষণকাণ্ডের ১০ দিন পর আজ কামদুনি গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ বাইকে চেপে কামদুনি যান তিনি। কথা বলেন নিহত কলেজ ছাত্রীর পরিবারের সঙ্গে। কিন্তু মিনিট পাঁচেক থেকেই কামদুনি ছাড়েন মুখ্যমন্ত্রী। আজ বেলা দেড়টা নাগাদ কামদুনি পৌঁছন তিনি। কামদুনিতে পৌঁছলে মুখ্যমন্ত্রীকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। দোষীদের শাস্তির দাবি জানাতে থাকেন গ্রামবাসীরা। তাতে বেশ চটে যান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর মন্তব্য, "যাঁরা বিক্ষোভ দেখিয়েছেন তাঁরা সিপিএম।"

Updated: Jun 17, 2013, 02:33 PM IST

গণধর্ষণকাণ্ডের ১০ দিন পর আজ কামদুনি গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ বাইকে চেপে কামদুনি যান তিনি।
(বাইক চড়ে মুখ্যমন্ত্রী, ভিডিও দেখুন...)
কামদুনিতে পৌঁছে মুখ্যমন্ত্রী কথা বলেন নিহত কলেজ ছাত্রীর পরিবারের সঙ্গে। কিন্তু মিনিট পাঁচেক থেকেই কামদুনি ছাড়েন মুখ্যমন্ত্রী। আজ বেলা দেড়টা নাগাদ কামদুনি পৌঁছন তিনি। কামদুনিতে পৌঁছলে মুখ্যমন্ত্রীকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। দোষীদের শাস্তির দাবি জানাতে থাকেন গ্রামবাসীরা। এক মহিলা প্রতিবাদকারীকে চিৎকার করে মমতা বলেন, "চুপ করুন, আপনি বেশি কথা বলবেন না।" পাল্টা জবাব দেন মহিলাও, ''চিৎকার করলেই সব সমাধান হয় না।" বললেন কামদুনির মহিলা। তাতে বেশ চটে যান মুখ্যমন্ত্রী।"যাঁরা বিক্ষোভ দেখিয়েছেন তাঁরা সিপিএম।"
(মুখ্যমন্ত্রী ও মহিলার তর্ক দেখতে ক্লিক করুন এখানে)
গত ৭ জুন, কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। যেখানে বিরোধী নেত্রী থাকার সময় যে কোনও ঘটনা ঘটা মাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছুটে যেতেন, সেখানে কামদুনির ঘটনা ঘটার এতদিন পরেও মুখ্যমন্ত্রী কেন সেখানে গেলেন না, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে সংবাদমাধ্যমেও কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি মুখ্যমন্ত্রী। নিহত কলেজ ছাত্রীর পরিবারের সঙ্গে মহাকরণে দেখা করেন তিনি। প্রশাসনের চাকরির প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন নিহত ছাত্রীর পরিবারের সদস্যরা। দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবিতে অনড় থাকেন তাঁরা।
(সোমবার কামদুনির গ্রামবাসীদের বিক্ষোভের মুখে মুখ্যমন্ত্রী, ভিডিও দেখুন...)
গত শনিবার কামদুনিতে যান বুদ্ধিজীবীদের একাংশ। পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন তাঁরা। তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দেন। সব মিলিয়ে কামদুনিকাণ্ডে রাজ্যজুড়ে তৈরি হয়েছে প্রবল আলোড়ন। সম্ভবত সে কারণেই কামদুনি যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।