মাওবাদীদের টাকা ডিপোজিট করা আছে, দাবি জেলা শাসকের

Update: March 22, 2013 20:02 IST

চেক নয়, চেকের ফটোকপি। বিনপুরের সভায় দাঁড়িয়ে ঝাড়গ্রামের নটি শহিদ পরিবারের হাতে চেকের ফটোকপিই তুলে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। চেকের বদলে ফটোকপি পেয়ে বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন চেক প্রাপকরা। প্রশাসন থেকে ব্যাঙ্ক, নানা মহলে ঘুরেও উপযুক্ত জবাব পাননি। ২৪ ঘণ্টার খবর সম্প্রচারিত হওয়ার পর অবশ্য বিভ্রান্তি দূর হল। কিন্তু উত্তর মেলেনি বহু প্রশ্নেরই।

বিনপুরে মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে চেক পাওয়ার পর কিছুটা আশাবাদী হয়েছিলেন মাওবাদী হামলায় নিহতদের পরিবার। কিন্তু চেক ভাঙাতে গিয়েই বিপত্তি। প্রশাসনের কর্তাদের প্রশ্ন করলেও তাঁরা কোনও উত্তর দিতে পারেননি।
 
২৪ ঘণ্টায় এ খবর সম্প্রচারিত হওয়ার পরই মুখ খোলে জেলাপ্রশাসন। জেলাশাসক সুরেন্দ্র  গুপ্তা জানান, নিয়ম বা রীতি অনুযায়ী চেক নয়, প্রাপকদের দেওয়া হয় চেকের ফটোকপি। প্রাপকের নামে টাকা ব্যাঙ্কে ফিকসড ডিপোজিট করে দেওয়া হয়।
 
কিন্তু চেকের বদলে যে চেকের ফটোকপি দেওয়া হয়েছে সে কথা প্রাপকদের জানানো হল না কেন? তার অবশ্য সদুত্তর মেলেনি জেলাশাসকের কাছ থেকে। এরচেয়েও বড়কথা চেক প্রাপকদের দাবি, ব্যাঙ্কে গিয়ে তাঁরা জানতে পেরেছেন, শুক্রবার পর্যন্ত তাঁদের নামে কোনও ফিক্সড ডিপোজিটও হয়নি। এক্ষেত্রেও জেলাপ্রশাসনের বক্তব্য, পদ্ধতিগত কারণেই সময় লাগে ফিকসড ডিপোজিট হতে। তাহলে কি তড়িঘড়ি মুখ্যমন্ত্রীর হাত দিয়ে চেকের ফটোকপি বিলি করা হয়েছে? প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

Post Your Comment

Total Comments:4

Photocopy deye e jokhn kaj hoye jai tokhn ar original deye ki hobay

EKDOM JOCHHOR MUKHYOPMONTRI.

আর কত ঢপ দিবে দিদি। গ্রামের লক গুলকে নিয়ে ছিনি মিনি খেলছে। এরা সরল সাধা সিধা লক। এদের এইভাবে থকান উচিত নয়। যখন তাকা বেঙ্কে আসেনি তখন বলার দরকার কি ।পঞ্চায়েত ভোট ।এরা সব হিসাব করায় গণ্ডায় বুঝিয়ে দেবে। ভারত বরসের একনম্বর লক জার পায়ের নিচে মনিষীদের ছবি থাকে তার এই কাজ সভা পায় না

alcohol kheye report ta ke likheche...``মাওবাদীদের টাকা ডিপোজিট করা আছে, দাবি জেলা শাসকের``

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।