এবার ফতোয়া টেলিভিশনেও

Update: April 20, 2012 14:11 IST

সংবাদপত্রের ওপর রাজফতোয়া জারি হয়েছিল আগেই। এবার ফতোয়া জারি হল টেলিভিশন চ্যানেলের ওপরেও। কোনও নির্দেশিকা নয়, এবার নিজেই সেকথা ঘোষণা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার বসিরহাটে কিষাণ ক্রেডিট কার্ড ও পাট্টা বিলির অনুষ্ঠানে সরকারি মঞ্চ থেকে নাম না-করে দুটি টেলিভিশন চ্যানেল না-দেখার পরামর্শ দেন তিনি।

এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "আমাকে কেউ কাজ করার থেকে রুখতে পারবে না। যাঁরা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা প্রচার চালাচ্ছেন, তাঁদের কাছে নিজেকে প্রমাণ করব।" সংবাদমাধ্যমের একাংশ তাঁর বিরুদ্ধে কুত্সা ছড়াচ্ছে বলে এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, বাম জমানায় বাংলার হৃত গৌরব তিনি যখন পুনরুদ্ধেরের চেষ্টা করছেন, তখন তাঁর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ করা হচ্ছে।

নাম না-করে দুটি টেলিভিশন চ্যানেলের ওপর এর "দায়" চাপিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "দুটি টেলিভিশন চ্যানেল দেখবেন না। নাম করলাম না। সমঝদারও কে লিয়ে ইশারাহি কাফি হ্যায়।"

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সরকারি মঞ্চ থেকে কাউকে এ ধরনের পরামর্শ দিতে পারেন কি না, প্রশ্ন উঠছে।

দিন কয়েক আগেই প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মারকন্ডেয় কাটজু পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে পরামর্শ দিয়ে বলেছিলেন, "মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে যথেষ্ট পরিণত আচরণ করছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আরও সংযত হওয়া উচিত।" কাচজুর পরামর্শ মুখ্যমন্ত্রী যে মানতে নারাজ, বৃহস্পতিবার তিনি তা স্পষ্ট বুঝিয়ে দিলেন।

Post Your Comment

Total Comments:15

মুখ্য মন্ত্রী বলেছেন ,উনি বাংলার সম্মানকে উধার করতে চাইছেন ,যা বাম জাম্নায়ে সেস হয়ে গিয়েছিল.তাহলে ধরে নিতে পারি বাংলার ১০ কোটি মানুস আগে গরু ছাগল ছিল আপনি এসে তাদের মানুস করতে চাইছেন,আমি বলব না, আমরা এই সরকার কে নিয়ে এসে ভুল করেছি.এখন শান্তি বিগ্নিত হছে .আগে আমরা কখনো দেখিনি বা শুনিনি যে আমার পাসের বাড়ির ভাই তৃনমূল সমর্থক বলে তাকে আমার বোনের সঙ্গে বিয়ে দেব না, আমার বোন তার সংঘে প্রেম করবে না .এই প্রথম .তাহলে আমরা কেন আপনাদের কে নির্বাচিত করলাম? সাম্প্রদায়িক গোলমালের জন্য? না আরো সবাই মিলে ভাই ভাই করে বাচতে ,যদি তাই চান অবিলম্বে জ্যোতিপ্রিয় বাবুকে বার্খ্স্ত করুন.নাহলে মনে হয় ভালো হবেনা.সাধারণ লোক আপনাদের ফতুয়া মানবে না.

Yeh to hona hi tha! protidin besh notun khobor.

All news channels are broadcasting right news

Well done.

Mamata is beyond any rule or norm. She is as powerful as Hitlar was.So far in 11months she has pampered a particular section of people to get extra mileage in the next panchayet election.Some times she is so generous that crore of rupees can be spent for bribing a particular religion clerics,on the other hand the pensioners of the state govt were denied of their legitimate payments.The people of Bengal had elected such a character who has proved herself to be a curse within this short period.It is very easy to throttle the voice of democracy with brute power like Hitlar, but it may be for a limited period, not for ever. The people will teach the last lesson.

not wanted this matter

Nothing right is going on..Hon`be CM should not talk like these!

..Bidwyajonera ki ghumuchhen??? Mamatar swarup ki tara bujhte parenni?? Tahole to bolte hoi je eder bidya jon hishabe extra samajik sanmman debar kono proyojon nei. Vikkhajibir role palon korechhen...tara sakolei..

She cann`t tollerate any opposition against her by freedom of press or democratic rights, because of her class-charector or the class in which she belongs, though she fought for democracy when she was opposition Leader!

গত তিন বছর ধরে স্তাবকতা শুনে আসছেন উনি এখন উনি ভাবতেই পারেন যে উনি যা খুশী বলতে পারেন সরকারী অনুষ্ঠানে, কারণ গত তিন বছর ধরে ওনার যে কোনো কাজ কে প্রগতিশীল বলে আখ্যা দেওয়া হয়েছে অনবরত

মানুষের কাছে গ্রহনযোগ্যতা অর্জন করা কেবল মাত্র আদেশনামা জারীর মাধ্যমে যদি সম্ভব হতো তাহলে সমাজের গঠনতন্ত্র বলে কোনো বিষয় বস্তুর প্রয়োজন হতোনা। এখানে একটা বিষয় উভয় পক্ষকেই মনে রাখতে হবে যে রাজার রাজদন্ড প্রজাবর্গের শিক্ষাগত মানএর উপর যেমন নির্ভরশীল ঠিক তেমনই যে মাধ্যম গুলি আমাদের সামাজিক শিক্ষায় শিক্ষিত করার তাগিদ অনুভব করেন সেই মাধ্যমগুলির কি সমাজের কাছে কোনো প্রকার দায়বদ্ধতা আছে?

Duti chnl tar against e prochar krtei pare,bam amoler ses dike o bnglar maximum chnl bamedr against e prochar kre6ilo.tai,ble tara kokhno kno paper or chnl dkhte nisedh kreni.e6ara,gonotontrer deshe emnta hotei pare.so,she should nt xprs lyk that,its nt suit 2 a wise lyk her.

Duti chnl tar against e prochar krtei pare,bam amoler ses dike o bnglar maximum chnl bamedr against e prochar kre6ilo.tai,ble tara kokhno kno paper or chnl dkhte nisedh kreni.e6ara,gonotontrer deshe emnta hotei pare.so,she should nt xprs lyk that,its nt suit 2 a wise lyk her.

কোন দুটি সংবাদপত্র পরতে বারন করেছে তার নাম না বল্লেও একটার নাম অবশ্যই 24 ঘন্টা.ওনাকে বলতে চাই আপনি আজ থেকেই নিয়মিত 24 ঘন্টা দেখার অভ্যেস করুন তাতে আপনার কিছুটা হোলেও পাগলামি রোগটা কমে যাবে.আপনি পাগল হোয়ে গেছেন.মানসিক ভাবে আপনি সুস্হ নন.আর এই সুযোগে দলের অন্য নেতারা নারি ধর্ষন করছে,কেউ পুলিশ পেটাচ্ছে,কেউ আবার অটোচালকদের কান ধরে ওঠবস করাচ্ছে.আপনার ছবি দিয়ে ব্যঙ্গ করার জন্য একজন কে হাজতে দিলেন কিন্তু ভাইপো কে কিছু বল্লেন না.আপনার অপছন্দের সংবাদ পত্র রাখতে দিলেন না.জেলায় জেলায় আপনার মস্তানরা রাজত্ব করছে.বর্তমান সময়ে রাজ্য এক কঠিন পরিস্হিতিতির মধ্যে দিয়ে চলছে.আর এইসব বিষয়ে জনগন কে সচেতন করার মতো গুরুত্বপুর্ন দায়িত্ব পালন করছে 24 ঘন্টা.আমি 24 ঘন্টা ণিয়মিত দেখি তাই এসব জানি,আপনিও দেখুন সব জানতে পারবেন.আপনি আবার সুস্হ হয়ে উঠবেন.

কোন দুটি সংবাদপত্র পরতে বারন করেছে তার নাম না বল্লেও একটার নাম অবশ্যই 24 ঘন্টা.ওনাকে বলতে চাই আপনি আজ থেকেই নিয়মিত 24 ঘন্টা দেখার অভ্যেস করুন তাতে আপনার কিছুটা হোলেও পাগলামি রোগটা কমে যাবে.আপনি পাগল হোয়ে গেছেন.মানসিক ভাবে আপনি সুস্হ নন.আর এই সুযোগে দলের অন্য নেতারা নারি ধর্ষন করছে,কেউ পুলিশ পেটাচ্ছে,কেউ আবার অটোচালকদের কান ধরে ওঠবস করাচ্ছে.আপনার ছবি দিয়ে ব্যঙ্গ করার জন্য একজন কে হাজতে দিলেন কিন্তু ভাইপো কে কিছু বল্লেন না.আপনার অপছন্দের সংবাদ পত্র রাখতে দিলেন না.জেলায় জেলায় আপনার মস্তানরা রাজত্ব করছে.বর্তমান সময়ে রাজ্য এক কঠিন পরিস্হিতিতির মধ্যে দিয়ে চলছে.আর এইসব বিষয়ে জনগন কে সচেতন করার মতো গুরুত্বপুর্ন দায়িত্ব পালন করছে 24 ঘন্টা.আমি 24 ঘন্টা ণিয়মিত দেখি তাই এসব জানি,আপনিও দেখুন সব জানতে পারবেন.আপনি আবার সুস্হ হয়ে উঠবেন.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।