প্রতিবাদের পুরস্কার! ফের মাওবাদী তকমা প্রশ্নকর্তাকে

Update: August 11, 2012 10:44 IST

মাওবাদী সন্দেহে ফের বিনপুরের নয়াগ্রামের বাসিন্দা শিলাদিত্য চৌধুরীকে গ্রেফতার করল পুলিস। বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেলপাহাড়িতে জনসভায় গিয়েছিলেন শিলাদিত্য চৌধুরি। সেখানে মুখ্যমন্ত্রীকে তাঁর আর্থিক দূরবস্থার কারণ জানাতে যান তিনি। সমস্যার কথা জানাতে গিয়েই বিপদে পড়েন তিনি। তাকে মাওবাদী চিহ্নিত করে ধরে নিয়ে যায় পুলিস। বেশকিছুক্ষণ জিক্ষাসাবাদ করার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। আগে বাসের কন্ডাক্টর ছিলেন শিলাদিত্য চৌধুরী। অসুস্থ হওয়ার পর নিজের সামান্য জমিতে বর্তমানে চাষ করে সংসার চালান। মেয়ের পড়াশুনো বন্ধ হয়েছে, অসুস্থ ছেলের চিকিত্সার জন্য হাত পাততে হয় হোমগার্ডের কাজ করা দাদার কাছে। সিআরপিএফ ক্যাম্পে রাজমিস্ত্রির প্রশিক্ষণও নিয়েছেন। কিন্তু কাজ জোটেনি।

গত ১৮ মে ঠিক এভাবেই মুখ্যমন্ত্রীকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অম্বিকেশ মহাপাত্রের গ্রেফতারি সম্পর্কে প্রশ্ন করায় মাওবাদী তকমা পেতে হয়েছিল এক ছাত্রীকে। সরকারের বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে টাউন হলে একটি বেসরকারি ইংরাজি খবরের চ্যানেলের 'টক-শো'তে হাজির ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। দর্শকদের একজন তাঁকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক অম্বিকেশ মহাপাত্রের গ্রেফতারি সম্পর্কে প্রশ্ন করতেই খেপে যান তিনি। উপস্থিত ছাত্রছাত্রীদের মাওবাদী বলে 'গালমন্দ' করতে করতে মঞ্চ ছেড়ে চলে যান। তাঁর সাফ কথা, সিপিআইএম ও মাওবাদীদের প্রশ্নের উত্তর দেবেন না তিনি। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী মুখ্যমন্ত্রীকে অধ্যাপক অম্বিকেশ মহাপাত্রর গ্রেফতারি নিয়ে প্রশ্ন করতেই মেজাজ হারান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজের অবস্থানে অনড় থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "ওটা কার্টুন নয়। আমরা কার্টুন ভালোবাসি। কার্টুন জিনিসটা আলাদা। উনি (অম্বিকেশ) সিপিএমের লোক। তিনি ইমেলের অপব্যবহার করেছেন। সোসাইটিকে জিজ্ঞাসা না-করে তিনি ওই ইমেল থেকে ৬০ জনকে মেল পাঠিয়েছেন।" এমনকী যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়নের অধ্যাপক অম্বিকেশ মহাপাত্রকে বুদ্ধিজীবী বলে মানতে অস্বীকার করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "উনি সিপিএমের ক্যাডার। ভোটের পর সিপিএম হাজার হাজার সিডি পাঠিয়েছে। কোনও মহিলা সেই সিডি দেখলে মাথা হেঁট হয়ে যাবে।"


এরপর রাজ্যের মন্ত্রী মদন মিত্র ও প্রাক্তন বিধায়ক তথা ভাঙড়ের তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলামের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন করেন প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ছাত্রী তানিয়া ভরদ্বাজ। প্রশ্ন শুনেই তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই ছাত্রী সিপিআইএম ক্যাডার বলে দাবি করে তিনি জানান, সিপিআইএম ও মাওবাদীদের প্রশ্নের জবাব দেবেন না তিনি। আয়োজকরা বেছে বেছে মাওবাদীদের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন বলেও অভিযোগ তাঁর। এর পর কলার মাইক্রোফোন খুলে মঞ্চ থেকে হাঁটা লাগান মুখ্যমন্ত্রী। শত চেষ্টাতেও তাঁকে আটকাতে পারেননি অনুষ্ঠানের উপস্থাপক। শিলাদিত্য চৌধুরীর ক্ষেত্রেও সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হল শনিবার।

প্রশ্ন উঠেছে, অস্বস্তিকর প্রশ্ন করলেই প্রশ্নকর্তাকে কি মাওবাদী বলে চিহ্নিত করতে পারেন একটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী? মাওবাদী চিহ্নিতকরণের এই পদ্ধতি কতটা যুক্তিযুক্ত? মুখ্যমন্ত্রীর এই অসহনীয়তা কীসের ইঙ্গিত বহন করে?  




Post Your Comment

Total Comments:16

``Cholche Na Cholbe Na....`` Bala r Cholbe na.

eta dakhla boja jai kara bhalo loke.uni nijhaka amarica rasthapati mona korcha.kintu eta india. London banano hoea gacha.ebar amarica bananchan.

Why is she so afraid of CPM? Is she have any hallucination? Is She in sense?

earlier she used say there is mao fao but now suffering from moist fobia.

আসলে একটা সময় উনিই তো মাওদের লালন পালন করেছিলেন । পালের গোদাকে তো তার পুরস্কার দিয়ে দিয়েছেন, অন্যদের মগজধোলাই করে আত্মসমর্পণ করিয়েছেন নয়ত গণমুক্তি মঞ্চ নামে ভৈরব বাহিনীতে ঢুকিয়ে দিয়েছেন । কিন্তু আনাচে কানাচে চমকে উঠছেন । ছোবল মারার কেউ আর নেই তো............

she is evil.. like cpm...

এই একনায়কতন্ত্র আর বেশী দিন চলবেনা, কারণ ইতিহাস এদের ক্ষমা করেনা...............।

এই একনায়কতন্ত্র আর বেশী দিন চলবেনা, কারণ ইতিহাস এদের ক্ষমা করেনা...............।

এই একনায়কতন্ত্র আর বেশী দিন চলবেনা, কারণ ইতিহাস এদের ক্ষমা করেনা...............।

এই একনায়কতন্ত্র আর বেশী দিন চলবেনা, কারণ ইতিহাস এদের ক্ষমা করেনা...............।

Ei MURKHO-MONTRIR mukhe jutor mara uchit.

এক মাত্র উনিই সব জানেন ,সুতরাং শেষ তো উনিই বলবেন । দেখবেন পাগল্ রা বলে থাকে সে ছাড়া বাকি সব পাগল`

It is very simple. She the chair with the help of some hooglas. So called moists are also hooglas and they know how this lady came to power by explot ing them. Now she has the only `mantra` to call every one who do have some common sense to think independently are moists just to protect her chair. One thing is clear, she will have to suffer a lot for her whimsical behavior .People will throw her in the dust bin Subrata Mukherjee, and Mr Mukherjee is eagerly waiting for this day.

It is very simple. She the chair with the help of some hooglas. So called moists are also hooglas and they know how this lady came to power by explot ing them. Now she has the only `mantra` to call every one who do have some common sense to think independently are moists just to protect her chair. One thing is clear, she will have to suffer a lot for her whimsical behavior .People will throw her in the dust bin Subrata Mukherjee, and Mr Mukherjee is eagerly waiting for this day.

It is very simple. She the chair with the help of some hooglas. So called moists are also hooglas and they know how this lady came to power by explot ing them. Now she has the only `mantra` to call every one who do have some common sense to think independently are moists just to protect her chair. One thing is clear, she will have to suffer a lot for her whimsical behavior .People will throw her in the dust bin Subrata Mukherjee, and Mr Mukherjee is eagerly waiting for this day.

didi khepe geche. rachi te pathiye dite hobe. r noy to gono prohar dite hobe

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।