প্রকল্পের টাকায় মুখ্যমন্ত্রীর সভার অভিযোগ

Update: December 4, 2012 09:40 IST

এলাকার জন্য বরাদ্দ জল প্রকল্পের টাকায় মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি অনুষ্ঠান করা হচ্ছে। অভিযোগ বাঁকুড়া জেলা সিপিআইএমের। আজ ওন্দায় মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি অনুষ্ঠানের খরচ হিসাবে প্রায় ৭০ লক্ষ টাকা ধার্য করা হয়েছে। অভিযোগ, পুরো টাকাটাই আসছে জনস্বাস্থ্য আদিবাসী কারিগরী দফতরের জল প্রকল্পের বরাদ্দ থেকে। বাঁকুড়ার ওন্দায় মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি অনুষ্ঠান। জল প্রকল্পের ঘোষনা, জমির পাট্টা বিলি সহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের সূচনা করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অনুষ্ঠানের জন্য বিশাল মঞ্চ ও দর্শক আসন তৈরি করা হয়েছে। এছাড়া অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের জন্য মধ্যাহ্নভোজেরও ব্যবস্থা থাকছে। গোটা কাজের রবাত দেওয়া হয়েছে অঞ্জন ইনফ্রাস্ট্রাকচর প্রাইভেট লিমিটেড নামে এক ঠিকাদার সংস্থাকে। সোমবারই সংস্থার পে-লোডার দিয়ে অনুষ্ঠান স্থলের মাঠ সমান করার কাজ চলে। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, সব মিলিয়ে প্রায় সত্তর লক্ষ টাকা খরচ হয়ে এই অনুষ্ঠানের জন্য। আর এই বিশাল পরিমাণ অর্থ মেটাতে হচ্ছে জনস্বাস্থ্য কারিগরী দফতরকে। ওন্দায় আদিবাসীদের জন্য একটি জল প্রকল্পের কাজ চলছে। সেই প্রকল্পের বরাদ্দ অর্থ থেকে এই বিপুল পরিমাণ খরচ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ জেলা সিপিআইএমের।

মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি অনুষ্ঠানের যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সিপিআইএমের জেলা সম্পাদক। তাঁর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রীর আগের প্রতিশ্রুতি মতো কোনও কাজই শুরু হয়নি বাঁকুড়ায়। মুখ্যমন্ত্রীর জেলা সফরের বিপুল খরচ নিয়ে বিভিন্নমহল থেকে বারবারই প্রশ্ন তোলা হয়েছে। কিন্তু আদিবাসী এলাকার জল প্রকল্পের টাকায় মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি অনুষ্ঠান করার অভিযোগে, নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।


Post Your Comment

Total Comments:4

Rail k dubie ekhon pachimbanga k dobate chaiche!

If it is fact, it is very painful for villagers.

O sob mone hoy mamatar chobi akar takar.jotoi hok uni to pikaso.

``OSOB MITHYA KATHA AMI AMAR NIGER TAKAI JONOSOBHA KORECHI.CPM O TAR DALDER KOTHAI BIVRANTO HOBEN NA.``

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।