রাজ্যের লগ্নি নিয়ে উদ্বেগে মুখ্যমন্ত্রী

রাজ্যে যে আশানুরূপ লগ্নি হচ্ছে না, তা পরোক্ষে স্বীকার করে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, পরিকাঠামোর ক্ষেত্র তৈরি, এখন উদ্যোগী হতে হবে বিনিয়োগকারীদের। ঝাড়গ্রামে সাংবাদিক বৈঠকে, সারদাকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে টাকার সংস্থান কীভাবে হবে, তা এখনও জানেন না কমিশন প্রধান। প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে ক্ষতিপূরণ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী?

Updated: Sep 26, 2013, 08:41 PM IST

রাজ্যে যে আশানুরূপ লগ্নি হচ্ছে না, তা পরোক্ষে স্বীকার করে নিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, পরিকাঠামোর ক্ষেত্র তৈরি, এখন উদ্যোগী হতে হবে বিনিয়োগকারীদের। ঝাড়গ্রামে সাংবাদিক বৈঠকে, সারদাকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে টাকার সংস্থান কীভাবে হবে, তা এখনও জানেন না কমিশন প্রধান। প্রশ্ন উঠছে, কীভাবে ক্ষতিপূরণ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী?
জঙ্গলমহলের তিন জেলায় ৮৭ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ হয়েছে। কর্মসংস্থান হতে চলেছে লক্ষাধিক যুবক-যুবতীর। বৃহস্পতিবার জঙ্গলমহল সফর শেষে এমনই দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপর তিনি নিজেই স্বীকার করেছেন, জঙ্গলমহলে বিনিয়োগের জন্য শিল্পপতিদের আমন্ত্রণ জানানো হলেও এখনও তেমন সাড়া মেলেনি।
 
রাজ্যের অন্যান্য জেলার মতো পুরুলিয়া, বাঁকুড়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরেও চিটফান্ড কেলেঙ্কারি পঞ্চায়েত নির্বাচনের বড় ইস্যু ছিল। তাই, সারদাকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের সবাইকে ধাপে ধাপে ক্ষতিপূরণের চেক দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী।
 
যে কমিশনের হাত ধরে সারদাকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণের পরিকল্পনা হয়েছে, সেই কমিশনের প্রধান শ্যামল সেন নিজেই স্বীকার করেছেন, টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য আটশো আমানতকারীর তালিকা তৈরি হয়েছে। এক লক্ষ আমানতকারীর নথিও তৈরি। কিন্তু টাকার সংস্থান কী করে হবে, তা সরকারের তরফে এখনও জানানো হয়নি।  তাহলে কোন ফর্মুলায় ক্ষতিপূরণ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী? তার সদুত্তরও মেলেনি।