লাভপুর হত্যাকাণ্ডের চার্জশিটে এবারও ছাড় মণিরুলকে, বিতর্কের মাঝেই আজ মামলার শুনানি

লাভপুর হত্যাকাণ্ডে ছাড় পেয়ে গেলেন মূল অভিযুক্ত তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক মণিরুল ইসলাম। আদালতে জমা পড়া দ্বিতীয় চার্জশিটেও নাম নেই অভিযুক্ত বিধায়কের। সেজন্যই মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন তিনি। অথচ প্রকাশ্য সভায় নিজে মুখেই তিনজনকে মেরে ফেলার কথা স্বীকার করেছিলেন মণিরুল ইসলাম। দু -দুবার চার্জশিট হলেও কেন মণিরুল ইসলামের নাম বাদ পড়ল তানিয়েই উঠছে প্রশ্ন। দুহাজার দশে লাভপুরের দ্বারকায় পিটিয়ে মারা হয়েছিল সিপিআইএম সমর্থক তিন ভাই ধানু, কুটুন ও ওইজুদ্দিন শেখকে। তিনজনকে পায়ে পিষে মারার কথা জনসভায় সদম্ভে ঘোষণা করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক মণিরুল ইসলাম।

Updated: Jun 19, 2014, 10:40 AM IST

লাভপুর হত্যাকাণ্ডে ছাড় পেয়ে গেলেন মূল অভিযুক্ত তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক মণিরুল ইসলাম। আদালতে জমা পড়া দ্বিতীয় চার্জশিটেও নাম নেই অভিযুক্ত বিধায়কের। সেজন্যই মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন তিনি। অথচ প্রকাশ্য সভায় নিজে মুখেই তিনজনকে মেরে ফেলার কথা স্বীকার করেছিলেন মণিরুল ইসলাম। দু -দুবার চার্জশিট হলেও কেন মণিরুল ইসলামের নাম বাদ পড়ল তানিয়েই উঠছে প্রশ্ন। দুহাজার দশে লাভপুরের দ্বারকায় পিটিয়ে মারা হয়েছিল সিপিআইএম সমর্থক তিন ভাই ধানু, কুটুন ও ওইজুদ্দিন শেখকে। তিনজনকে পায়ে পিষে মারার কথা জনসভায় সদম্ভে ঘোষণা করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক মণিরুল ইসলাম।

ঘটনার দিন কোনওরকমে পালিয়ে বাঁচেন ধানু, কুটুনদের চতুর্থ ভাই সানোয়ার শেখ। অথচ কলকাতা হাইকোর্টে সানওয়ার শেখের গোপন জবানবন্দিতে, নাম ছিল না মণিরুল ইসলামের। বুধবার বোলপুর মহকুমা আদালতে অতিরিক্ত দায়রা বিচারকের কাছে লাভপুর কাণ্ডের চার্জশিট জমা দিয়েছেন লাভপুর থানার তত্‍কালীন ওসি দেবাশিস ঘোষ। কিন্তু চার্জশিটে নাম নেই মূল অভিযুক্ত তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক মণিরুল ইসলামের। ছাড় পেয়েছেন আরও আঠেরজন অভিযুক্ত। কেন বাদ পড়ল নাম? গোপন জবানবন্দিতে মণিরুল ইসলামের নাম না থাকাতেই চার্জশিটে মণিরুল ইসলামের নাম বাদ পড়েছে। আক্রান্তের আইনজীবী জানাচ্ছেন তার মক্কেলকে ভয় দেখানো হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই দীর্ঘদিন ঘরছাড়া ছিলেন সানোয়ার শেখ। মামলা তুলে নিতে নানাভাবে চাপসৃষ্টির অভিযোগ তুলেছে নিহতের পরিবারের লোকজন। সেই চাপের কাছেই কি শেষ পর্যন্ত ফের নতিস্বীকার করলেন সানোয়ার শেখ? বৃহস্পতিবারই কলকাতা হাইকোর্টে লাভপুর হত্যাকাণ্ড মামলার শুনানি। তার আগেই মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়ে গেলেন মূল অভিযুক্ত তৃণমূল বিধায়ক মণিরুল ইসলাম।