বলিউডে ডায়না

Update: July 2, 2012 20:15 IST

তাঁর অনিন্দসুন্দর মুখশ্রী দেখে কম্পন জাগবে লক্ষ হৃদয়ে। বলিউডের একাংশের মত, `ককটেল` সিনেমায় তাঁর সৌন্দর্য্য এমন কী ম্লান করে দিয়েছে দীপিকা পাড়ুকোনকেও।

প্রথম ছবি `ককটেল`। প্রথম আত্মপ্রকাশেই বলিউডে সাড়া জাগিয়ে তুলেছেন ডায়না পেন্টি। জুলাই মাসে রিলিজ হবে এই ছবি। এই ফিল্মে তাঁর অভিনীত চরিত্রটির নাম জুহি।

বলিউডে নতুন ডায়না এখনও নিজের `পাশের বাড়ির মেয়ে` ইমেজ সম্পর্কে সচেতন। সম্প্রতি একটি জনপ্রিয় ম্যাগাজিনে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে ডায়না জানিয়েছেন, তিনি মোটেই স্টিলেটো পড়তে পছন্দ করেন না। বরং হাওয়াই চটিতে অনেক স্বচ্ছন্দ থাকেন। তিনি খেতেও খুব ভালবাসেন। তবে রান্না করা একেবারেই না পসন্দ তাঁর।

মুম্বাই সেন্ট জেভিয়ারস কলেজের এই স্নাতক আরো জানিয়েছেন তাঁর পার্সে সবসময় লিপ বাম, `সানস্ক্রিন লোশন`, `শ্যানেল শ্যান্স` এবং রোদচশমা থাকে।

ডায়না বলেছেন শুটিং-এর আগে তাঁর নাচ সম্বন্ধে একপ্রকার ভয়ই ছিল। কিন্তু নিয়মিত তালিম নিয়ে তিনি নিজের সেরাটুকু উজাড় করে দিয়েছেন।

ডায়না ছাড়াও `ককটেল`-এ অভিনয় করছেন দীপিকা পাড়ুকোন এবং সাইফ আলি খান। সিনেমাটি ১৩ জুলাই মুক্তি পাচ্ছে।

Post Your Comment

Total Comments:1

let us see what did you do there.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।