ট্রেনের ধাক্কায় হাতি মৃত্যু ঠেকাতে বৈঠক নিষ্ফলা

ট্রেনের ধাক্কায় হাতির মৃত্যু ঠেকাতে রেলমন্ত্রক ও বন দফতরের বৈঠকে কোনও সমাধান সূত্র মিলল না। গত কাল রাজাভাতখাওয়া বন দফতরের প্রেক্ষাগৃহে এ নিয়ে বৈঠক হয়। ছয়ই জানুয়ারি দুর্ঘটনার দিন ট্রেন চালক মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন না বলেই দাবি করেছেন আলিপুরদুয়ার রেলওয়ে ডিভিশনের চেয়ারম্যান বীরেন্দ্র সিং। তবে ট্রেনের গতি বেশি থাকার কথা মেনে নিয়েছেন তিনি।

Updated: Jan 8, 2013, 09:46 AM IST

ট্রেনের ধাক্কায় হাতির মৃত্যু ঠেকাতে রেলমন্ত্রক ও বন দফতরের বৈঠকে কোনও সমাধান সূত্র মিলল না। গত কাল রাজাভাতখাওয়া বন দফতরের প্রেক্ষাগৃহে এ নিয়ে বৈঠক হয়। ছয়ই জানুয়ারি দুর্ঘটনার দিন ট্রেন চালক মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন না বলেই দাবি করেছেন আলিপুরদুয়ার রেলওয়ে ডিভিশনের চেয়ারম্যান বীরেন্দ্র সিং। তবে ট্রেনের গতি বেশি থাকার কথা মেনে নিয়েছেন তিনি।
ওই এলাকায় ট্রেনের গতি কত হবে তা নিয়ে বনকর্তাদের সঙ্গে মতান্তর হওয়ায় শেষ পর্যন্ত কোনও সমাধানসূত্র বের হয়নি। ছয়ই জানুয়ারি রাজাভাতখাওয়া এবং আলিপুরদুয়ার স্টেশনের মাঝে ট্রেনের ধাক্কায় তিনটি হাতির মৃত্যু হয়। আহত হয় একটি হস্তিশাবক। ঘটনার পর রেলমন্ত্রক ও বনদফতরের মধ্যে চাপানউতোর চরমে ওঠে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সোমবার রাজাভাতখাওয়া বনদফতরের প্রেক্ষাগৃহে এ নিয়ে বৈঠক হয়। দুর্ঘটনার দিন ট্রেনটির গতি সত্তর থেকে আশি কিলোমিটারের বেশি ছিল বলে বৈঠকে জানিয়েছেন আলিপুরদুয়ার রেলওয়ে ডিভিশনের চেয়ারম্যান বীরেন্দ্র সিং।  
বনকর্তাদের দাবি, বিকেল পাঁচটা থেকে পরদিন সকাল সাতটা পর্যন্ত ওই  লাইনে ট্রেন চালাতে হবে ঘণ্টায় কুড়ি থেকে ৩০ কিলোমিটার গতিতে।
কিন্তু রেলের বক্তব্য, রাত সাতটা থেকে পরদিন সকাল সাতটা পর্যন্ত ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার গতিতে ট্রেন চালানো হবে। এই বিতর্কেই শেষ পর্যন্ত সোমবারের বৈঠকে দু`পক্ষ কোনও সমাধানসূত্রে পৌঁছতে পারেনি। এগারোই জানুয়ারি ফের বৈঠকে বসবেন রেল ও বনদফতরের কর্তারা।