পাহাড় নিয়ে জোড়া বৈঠকে মোর্চা ও আদিবাসী বিকাশ পরিষদ

Last Updated: Sunday, June 10, 2012 - 16:17

জিটিএ-তে পাঁচ মৌজা অন্তর্ভুক্তির সুপারিশ নিয়ে আজ দুটি পৃথক বৈঠকে বসেছে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা ও আদিবাসী বিকাশ পরিষদ।
গতকাল প্রকাশিত হওয়া রিপোর্টে জিটিএ-তে পাঁচ মৌজা অন্তর্ভুক্তির সুপারিশের বিরোধিতায় আজ আলোচনায় বসেছে মোর্চা। আদিবাসী বিকাশ পরিষদের বিক্ষুব্ধ নেতা জন বার্লা গোষ্ঠীও ওই বৈঠকে অংশ নিয়েছে। দার্জিলিংয়ের পাতলেবাসে মোর্চার সদর কার্যালয়ে বেলা দুটো নাগাদ বৈঠক শুরু হয়। বৈঠকে আন্দোলন কর্মসূচি ঠিক করা হতে পারে। 
জিটিএ-তে তরাই-ডুয়ার্সের ৩৯৮টি মৌজা অন্তর্ভুক্তির দাবি জানিয়েছিল গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। কিন্তু গতকালই শ্যামল সেনের নেতৃত্বাধীন কমিটি তার রিপোর্টে দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ির জিটিএ-তে পাঁচটি মৌজা অন্তর্ভুক্তির সুপারিশ করেছে। কমিটির এই সুপারিশ প্রত্যাখ্যান করেছে মোর্চা। সুপারিশের বিরোধিতায় পাহাড়ে বড় আন্দোলনে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে তারা। 
জন বার্লাও নতুন প্রস্তাব মেনে নেওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, সুপারিশ বাস্তবায়িত হলে তরাই-ডুয়ার্সের মানুষ উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হবেন।
অন্যদিকে, আজ আলোচনায় বসেছে আদিবাসী বিকাশ পরিষদও। আজ দুপুরেই মালবাজারে ওই বৈঠক শুরু হয়েছে। গতকাল কমিটির রিপোর্ট সামনে আসার পর, আদিবাসী বিকাশ পরিষদের নেতা বীরসা তিরকে প্রথমে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানান। কিন্তু পরে সংযত হয়ে যায় সংগঠন। জানিয়ে দেওয়া হয়, বিষয়টি খতিয়ে দেখে তবেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আদিবাসী বিকাশ পরিষদ নেতৃত্ব জানিয়েছে, যে পাঁচটি মৌজা জিটিএ-তে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, তাতে কত সংখ্যক আদিবাসী বসবাস করেন, আগে তা  খতিয়ে দেখা হবে।
কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী দার্জিলিংয়ের এমএম তরাই, পূর্ব কড়াইবাড়ি ও গুলমাখারি এবং জলপাইগুড়ির সামসিং ও চালৌনি, এই পাঁচটি মৌজাকে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। জিটিএ চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকে গত প্রায় একবছর তুলনামূলকভাবে শান্ত ছিল পাহাড়। দীর্ঘদিন পর ভাল ব্যবসার মুখ দেখেছেন পাহাড়ের পর্যটন ব্যবসায়ীরা। কিন্তু কমিটির এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর ফের আন্দোলনে নামার হুমকি দিয়েছেন মোর্চা নেতৃত্ব। আন্দোলন ছড়ানোর আশঙ্কা বাড়ছে তরাই ডুয়ার্সেও।



First Published: Sunday, June 10, 2012 - 19:38


comments powered by Disqus