ক্যান্সারের আধুনিক চিকিত্সা এবার কলকাতায়

Update: June 12, 2012 17:30 IST

ক্যান্সার চিকিত্‍সায় পার্সোনালাইজড মেডিসিন নামে আধুনিকতম পদ্ধতিতে কাজ শুরু হল কলকাতায়। দেশের মধ্যে এই প্রথম লাইভ সেল প্যাথলজি পরীক্ষা করছে কলকাতার এক বেসরকারি সংস্থা। ক্যান্সার আক্রান্ত কোষে কোন ধরনের ওষুধ প্রয়োগ করলে সবচেয়ে বেশি সুফল পাওয়া যাবে তা নির্ধারণ করা হচ্ছে ল্যাবরেটরিতে। এমনই দাবি, গবেষক সৌভিক সেনগুপ্তের।

পার্সোনালাইজড মেডিসিন পদ্ধতিতে একই ধরণের ক্যান্সারে আক্রান্ত আলাদা আলাদা ব্যক্তির দেহের ক্ষতিগ্রস্থ কোষ বিশ্লেষণ করে লাইভ সেল প্যাথলজিতে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষ ও সুস্থ কোষকে পাশাপাশি রেখে দেখা হচ্ছে কোন ওষুধে সবচেয়ে ভাল ফল মিলছে। এক্ষেত্রে, মলিকিউলার প্যাথলজিতে মিউটেশন পরীক্ষা করা হচ্ছে। সেখানে এপিডারমাল গ্রোথ ফ্যাক্টর রিসেক্টর, কারস্টেন র‌্যাস, বি রাফ প্রোটিন বিশ্লেষণ করে রোগীর আয়ু বাড়ানো সম্ভব বলেও দাবি গবেষকদের।

আপাতভাবে রোগী সুস্থ হয়ে গেলেও কোন ধরণের ক্যান্সার কতদিনের মধ্যে ফিরে আসতে পারে, সে ক্ষেত্রে কোন ওষুধ ব্যবহার করা উচিত, তাও আগে থেকে ঠিক করে দিচ্ছে পার্সোনালাইজড মেডিসিন পদ্ধতি। বিশ্বে হাতে গোনা দু-একটি ল্যাবরেটরিতে এ ধরনের পরীক্ষার খরচ প্রায় দু লক্ষ টাকার কাছাকাছি। কলকাতার এই ল্যাবরেটরি দশ হাজার টাকার মধ্যে সেই খরচ রাখতে চাইছে বলে দাবি কর্তৃপক্ষের।






Post Your Comment

Total Comments:3

this is unique facility kolkata will have,please send me the contact details of the institute in my email.

Khub vhalo.Cancer er ekta pratisedhak darkar chilo.Thanks Souvik Sengupta and 24 Ghanta.

Khub bhalo udjog. Aamar stree kidney cancer a mara gachen. Aamar durbhagya aei baparta sambondhe kicchui prai jantam na,jai hok bhalo lagche aei katha bhebe j aanekei abar er shuphal paben. Iswar aapnader mangol korun. Namoskar.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।