জোড়া ধর্ষণ, জোড়া শ্লীলতাহানি, জেরবার আইনশৃঙ্খলা

Update: August 20, 2012 23:35 IST

একই দিনে ২টি ধর্ষণ এবং ২টি শ্লীলতাহানির ঘটনায় রাজ্যের আইন শৃঙ্খলা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠে গেল। হাওড়া, মালদা, হুগলী এবং উত্তর চব্বিশ পরগণার এই ৪টি পৃথক ঘটনা ঘিরে সঙ্গত কারণেই ফের দানা বেঁধেছে রাজনৈতিক বিতর্ক।

সোমবার এক মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলাকে গণ ধর্ষণের অভিযোগ উঠল হাওড়ার জগাছায়। ঘটনাটি ঘটেছে গত শুক্রবার। ওই মহিলাকে জগাছার কোনা এক্সপ্রেসে ঘুরতে দেখে পুলিস উদ্ধার করে। তাঁকে ডোমজুড়ের একটি হোমে রাখার ব্যবস্থা করে। এরপর খবর দেওয়া হয় ওই  মহিলার বাড়িতে। পরে পরিবারের লোকজন পুলিসকে জানান, দুতিন জন যুবক তাঁকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে।  মেডিক্যাল পরীক্ষার পর তাঁকে রাখা হয়েছে হাওড়া জেনারেল হাসপাতালে। এ ঘটনায় জগাছা থানায় গণধর্ষণের মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযোগ উঠেছে বাপী দাস ও বাবলু সাহার নামে দুই যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযোগকারিণীর দাবি, তিনি ওই দুই যুবককে চিনতে পারবেন।

ধর্ষণের দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটে মালদায়। সোমবার ভোররাতে বাড়ির বাইরে গিয়েছিলেন অভিযোগকারিণী। সেসময় এক ব্যক্তি তাকে তুলে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ। প্রায় তিন ঘণ্টা তাঁর ওপর অত্যাচার চালানো হয় বলে জানিয়েছেন ওই মহিলা। প্রথমে তিনি মঙ্গলবাড়ি পুলিস ফাঁড়িতে অভিযোগ জানাতে যান, কিন্তু পুলিস তাঁর অভিযোগ নেয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি। এরপর তিনি স্থানীয় কংগ্রেস বিধায়ক অর্জুন হালদারের কাছে অভিযোগ জানান। বিধায়কের হস্তক্ষেপে অভিযোগ নেয় মালদা থানা। ওই মহিলাকে মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক। এই ঘটনায় এখনও কেউ গ্রেফতার হয়নি।

এরপর ঘটনাস্থল চন্দননগর। চতুর্থ শ্রেণীর পড়ুয়াকে গৃহশিক্ষিকার স্বামী শ্লীলতাহানি করার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। সেই সঙ্গে তাকে কাউকে কিছু না বলার জন্য ভয় দেখানো হয়। পরে ওই ছাত্রী বাড়ীতে সব কিছু জানানোয় বাড়ীর লোক থানায় আভিযোগ দায়ের করে। অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিস। এর আগে সোমবার সকালে প্রকাশ্য দিবালোকে শ্লীলতাহানির করা হয় উত্তর চব্বিশ পরগণার বারাসতে। কটূক্তি করার প্রতিবাদ করায় এক কিশোরীকে মারধোর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটানার পর দীর্ঘক্ষণ কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত কারও নাগাল পায়নি পুলিস।






Post Your Comment

Total Comments:6

mamata banerjee police ki korche? aita bengla-r natun poriborton naki?

I appreciate the way a section of the media, like yours, are highlighting and forcing the unwilling authorities to act. But according to me, the entire ( actually one woman) ministry and the ( BACK-BONELESS) Police authority will take no effective steps to arrest such problems. An undesired costly, so called, ``ANTI PEOPLE-PARIBARTAN``, the WB common people has received. I`m not analyzing now on the past movement on so called Paribartan-slogan. But what is now happening in our state, it is the outcome of the wrong movement. But at this junction, there is no other alternative, other than to rise to the occasion,and aired strong voice against such alarming incidents.

Ekhon r kichu bola jabe na........... Sudhu sunte hob er dekhte hob er chup kore bose thak te hobe............... Amra ekhon narokiyo rajje bosobas korchi .......... CHI! CHI! CHI!....... Er thek besi r kichu bola jabe na ......

Police ki kaj thik motokore na? jodi kore tobe kano chari dike aato khrap loker bas? Tader bapare sob jeneo police tader dhore na kano?

A country which doesn`t respect its women,will never rise to glory. We are living among barbarians,not humans.

Ebar Banglai borson kom, dharsan besi hlo..

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।