শ্লীলতাহানির শিকার কিশোরীর আত্মহত্যার চেষ্টা

Update: August 17, 2012 14:35 IST

ফের কিশোরীর শ্লীলতাহানীর চেষ্টার অভিযোগ উঠল। অপমানে আত্মহত্যার চেষ্টা করল ওই কিশোরী। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটে হাওড়ার পাঁচলায়। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি ওই কিশোরী। এখনও ফেরার অভিযুক্ত।

অন্যান্যদিনের মতই বুধবারও জরির কাজ সেরে বাড়ি ফিরছিল হাওড়া সাঁকরাইল থানা এলাকার বাসিন্দা বছর পনেরোর এক কিশোরী। অভিযোগ, সেই সময় পাঁচলায় একটি পেট্রোল পাম্পের সামনে ওই কিশোরীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে দিলীপ সর্দার নামে স্থানীয় এক যুবক। অভিযোগ বেশ কয়েকদিন ধরেই দিলীপ সর্দার ওই কিশোরীকে উত্যক্ত করছিল। বুধবার বাড়ি গিয়ে বাবা-মাকে পুরো ঘটনাটি জানায় ওই কিশোরী। অভিযোগ এরপরই তাকে নানাভাবে ভয় দেখাতে থাকে দিলীপ সর্দার। এরপরই অপমানে আত্মহত্যার চেষ্টা করে ওই কিশোরী।

অসুস্থ অবস্থায় ওই কিশোরীকে গাববেড়িয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে এই ঘটনার অভিযোগ পাঁচলা থানায় জানাতে গেলে ফিরিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। তাদের সাঁকরাইল থানায় যেতে বলা হয়। শেষে সন্ধের পর সাঁকরাইল থানায় ওই কিশোরীর অভিযোগ নেওয়া হয়। গোটা ঘটনায় পুলিসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাধারণ মানুষ। এখনও ফেরার অভিযুক্ত দিলীপ সর্দার। এ ধরনের ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন সাধারণ মানুষ। স্থানীয় বাসিন্দারাই আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

Post Your Comment

Total Comments:1

Nijek sesh na kore Shoytan k sesh koro, jani shoytan`r Mirtyu nei Tobe Take Damon kora sambhab

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।