বর্ষা এল দক্ষিণবঙ্গে

Update: June 17, 2012 10:48 IST

অবশেষে দক্ষিণবঙ্গে প্রবেশ করল মৌসুমী বায়ু। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছ, ইতিমধ্যেই কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের দশটি জেলায় শুরু হয়েছে বর্ষার বৃষ্টি। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বর্ষা শুরু হয়ে যাবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কোচবিহার, এবং দুই দিনাজপুরে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। তবে, ঘূর্ণাবর্তের টানে দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা আসায়, বৃষ্টির পরিমাণ আশানুরূপ নাও হতে পারে বলে আশঙ্কাপ্রকাশ করেছেন আবহাওয়াবিদরা।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বর্ষার আগমনে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্য ভাবে কমে গিয়েছে। রাজ্যের কোথাও আর তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি নেই। শুরু থেকেই এবার ঘুর অগ্রসর হচ্ছিল মৌসুমি বায়ু। সেইসঙ্গেই গতি অত্যন্ত শ্লথ হওয়ায় কবে বর্ষা আসবে দক্ষিণবঙ্গে সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে হিমশিম খাচ্ছিলেন আবহাওয়াবিদরা। স্বাভাবিক নিয়মে দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা আসার তারিখ ৮ জুন। মৌসুমি বায়ুর খামখেয়ালিপনায় এবারে প্রায় ১০ দিন দেরিতে বর্ষা এল দক্ষিণবঙ্গে।







Post Your Comment

Total Comments:6

obosheshe shantir barsha elo...welcome monsoon 2012..

At last barsha alo

At last barsha alo

At last barsha alo

At last barsha alo

Bristi howa dorkar,eto gorom sojjo hyna...

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।