মুম্বই সন্ত্রাসের বিচার শুরু পাকিস্তানে

Update: April 28, 2012 16:17 IST

পাকিস্তানের সন্ত্রাসদমন আদালতে শনিবার ফের শুরু হয়েছে মুম্বই হামলার ষড়যন্ত্রকারীদের বিচার। রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা জেলের ভিতরে কঠোর নিরাপত্তায় চলছে শুনানি। আজকের শুনানিতে মুম্বই হামলা নিয়ে পাকিস্তানের বিচারবিভাগীয় কমিশনের তদন্ত রিপোর্ট পেশ হবে। মুম্বই হামলার তদন্তে কয়েকদিন আগেই ভারতে ঘুরে গিয়েছে পাকিস্তানের বিচারবিভাগীয় কমিশনের একটি দল। আট দলীয় সেই কমিশনের রিপোর্ট পেশ না হওয়ার পর্যন্ত মুম্বই হামলার ষড়যন্ত্রকারীদের বিচারপ্রক্রিয়া এগোবে না বলে পাক সন্ত্রাসদমন আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে।

২০০৮-এর ২৬ নভেম্বর তাজ প্যালেস হোটেল, ওবেরয় ট্রাইডেন্ট, নরিম্যান হাউস, ছত্রপতি শিবাজি টার্মিনাস, কামা হাসপাতাল, লিওপোল্ড কাফে-সমেত মুম্বইয়ের বিভিন্ন জায়গায় আইএসআই-প্রশিক্ষিত ১০ জন লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গিরা। ২৯ নভেম্বর দুপুর পর্যন্ত চলা এই হামলায় মোট ১৬৬ জনের মৃত্যু হয়। লস্কর জঙ্গি আজমল আমির কাসভ জীবিত অবস্থায় ধরা পড়ে। নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে খতম হয় তার সঙ্গীরা। ঘটনার ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে লস্কর কমান্ডার জাকিউর রহমান লাকভি-সহ ৭ লস্কর-এ-তৈবা জঙ্গিকে গ্রেফতার করে বিচার শুরু হয় পাকিস্তানে। তবে অন্তর্বর্তী রিপোর্টের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই ২৬/১১ কাণ্ডের অন্যতম প্রধান চক্রী, জামাত-উদ-দাওয়া প্রধান তথা লস্করের প্রতিষ্ঠাতা হাফিজ মহম্মদ সইদকে ক্লিনচিট দিয়েছে গিলানি সরকার। ইতিমধ্যেই নয়াদিল্লির তরফে ইসলামাবাদের এই পদক্ষেপের কড়া নিন্দা করা হয়েছে।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।