সন্ত্রাস, সংঘর্ষ, বিক্ষোভের আবহে ১২টি পুরসভায় তিনটে পর্যন্ত ভোট পড়ল ৮৫%

গ্রাম বাংলার রায় জানার পর এ বার শহরের মন জানার পালা। আজ রাজ্যের ৯ টি জেলায় ১২টি পুরসভার ভোটগ্রহণ। ৯টি জেলা থেকে আমাদের রিপোর্টাররা পুরভোটের সব খবর সরাসরি খবর পাঠাচ্ছেন। সেই সব খবর নিয়েই এই লাইভ আপডেট।

Updated: Sep 21, 2013, 07:37 AM IST

গ্রাম বাংলার রায় জানার পর এ বার শহরের মন জানার পালা। আজ রাজ্যের ৯ টি জেলায় ১২টি পুরসভার ভোটগ্রহণ। ৯টি জেলা থেকে আমাদের রিপোর্টাররা পুরভোটের সব খবর সরাসরি খবর পাঠাচ্ছেন। সেই সব খবর নিয়েই এই লাইভ আপডেট।

বেলা ৩টে- ৩টে অবধি ১২টি পুরসভায় ভোট পড়ল ৮৫%।
বেলা ২.৩০টে- পুলিসের মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে বুথ দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠল হাবড়ার আক্রামপুরের এগারো নম্বর ওয়ার্ডে। পরে প্রিসাইডিং অফিসারকে বন্দুক দিয়ে ভয় দেখিযে ইভিএমের একের পর এক ভোট দিতে থাকে দুষ্কৃতীরা।
বেলা ২টা- বুথ দখলের অভিযোগ উঠেছে, হিজলপুকুরিয়া জুনিয়ার বেসিক স্কুলে ১৪ নম্বর ওয়ার্ডেও। ওই ওয়ার্ডের ৭২ ও ৭৩ নম্বর বুথে জনা ২৫ বহিরাগত এসে বুথ দখল করার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। প্রিসাইডিং অফিসার বাধা দিলে, ইভিএম মেশিন ভাঙচুর করে দুষ্কৃতীরা। পরে পুলিস এসে অবস্থ আয়ত্তে আনে। হাবড়ায় ভোটের ঝামেলাকে কেন্দ্র করে বেশ কিছুক্ষণের জন্য বনগাঁ-শিয়ালদা শাখার ট্রেন বন্ধ হয়ে যায়। 
দুপুর ১২.৩০টা- বর্ধমানের পথে নদিয়ার চাকদা। সন্ত্রাসের অভিযোগে চাকদা পুরসভার ২১টি ওয়ার্ডে প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করে নিল বামফ্রন্ট।
দুপুর ১২টা- পানিহাটিতে ফের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার মীরা পাণ্ডে। ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডের উদয়ন সংঘ ক্লাবের ভোটকেন্দ্রে আজ মীরা পাণ্ডে পৌঁছলে তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন তৃণমূল সমর্থকরা। মীরা পাণ্ডের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন তাঁরা। এর আগে বিবেকানন্দ শিক্ষায়তনে মীরা পাণ্ডের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখান ভোটাররা। অভিযোগ,শাসক দলের সন্ত্রাসে ভোট দিতে পারেননি তাঁরা।
হাবড়ায় তৃণমূল কংগ্রেস- সিপিএম সংঘর্ষ৷ জখম ৫৷ ভাঙচুর করা হল পুলিসের গাড়ি৷
চোপড়া হাই স্কুলে শনিবার স্কুল পরিচালন
সমিতির নির্বাচনে ব্যাপক বোমাবাজি।

১১ টা- পানিহাটিতে গেলেন মীরা পাণ্ডে। বিক্ষোভের মুখে পড়লেন তিনি।
সকাল থেকেই পানিহাটি থেকে পুরভোট ঘিরে গণ্ডগোলের খবর আসে কমিশনে৷ এরপরই অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা মীরা পাণ্ডে৷
বর্ধমান টাউন পুরসভার ৩৫টি ওয়ার্ড থেকেই প্রার্থী তুলে নিচ্ছে বামফ্রন্ট। সিপিআইএমের জেলা সম্পাদক অমল হালদারের অভিযোগ, ভোটে সন্ত্রাসের জন্য আগে থেকেই বহিরাগতদের আনা হয়েছিল৷ গতকাল রাতে ৪০জনের বাইক বাহিনী বেরোয়। সবকটি বুথই দখল করে নিয়েছে তৃণমূল৷ বুথ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে পার্টির এজেন্টদের৷ ভোটারদের আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে৷ 
সকাল ৯.৪৫-- সন্ত্রাসের অভিযোগে বর্ধমানে পুরভোট বয়কট করল বামফ্রন্ট। সব কেন্দ্র থেকে সব প্রার্থী ও এজেন্ট তুলে নিল বামফ্রন্ট। এই পরিবেশে ভোট হয় না এই কথা জানিয়ে সিপিআইএম ভোট বয়কটের সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করল।

সকাল ৯.১৫ টা- পানিহাটিতে মহিলা ভোটারকে মারধর, ১৫০ নম্বর বুথ দখলের অভিযোগ। কাঠগড়ায় শাসকদল।

সকাল ৯টা- পানিহাটির সারদা পল্লি স্কুলে উত্তেজনা।
৩০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল প্রার্থী মাধব নন্দীর নেতৃত্বে হামলা চালানো হল। ২৪ ঘণ্টার ক্যামেরায় পরিষ্কার ধরা পড়ল সেই ছবি।
ভোটারদের বুথ থেকে বের করে দেওয়া হচ্ছে। এজেন্ট বসতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ করলেন নিরুপম সেন। আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করলেন
সকাল ৮টা- বর্ধমান পুরসভার ৩৩, ২১, ২৩, ১৮, ২৪, ১০, ১১, ২৯, ৬, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে সিপিআইএম এজেন্টকে ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ। সন্ত্রাসের অভিযোগে সরব বাম নেতৃত্ব।
সকাল ৭.২০টা- বর্ধমান পুরসভার ৪ নং ওয়ার্ডে সিপিআইএম প্রার্থীর এজেন্টকে ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ। এই বর্ধমানেই ভোট সন্ত্রাস নিয়েই সবচেয়ে বেশি সরব হয়েছেন বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীরা। ভোটের আগে শাসক দলের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ জমা পড়েছে নির্বাচন কমিশনে। যে ১২টি পুরসভায় ভোট হচ্ছে তার মধ্যে বর্ধমান পুরসভার দিকেই সবার নজর। এই পুরবোর্ড বামফ্রন্টের দখলে। তৃণমূল এ বার এই পুরবোর্ড দখলে মরিয়া।
সকাল ৭.১০টা- ভোটার সংখ্যায় পানিহাটি সব থেকে বড় পুরসভা। পানিহাটির ৩৫ টি ওয়ার্ডে ভোটগ্রহণ চলছে। এই পুরবোর্ড বামেদের দখলে।

সকাল ৭.০৫টা- বুথে বুথে লম্বা লাইন। তবে অনেক বুথেই পর্যাপ্ত নিরাপত্তা চোখে পড়ছে না।
সকাল ৭টা- ১২ টি পুরসভায় ভোটগ্রহণ শুরু হল। মোট ২৪০টি ওয়ার্ডে ভোট হচ্ছে। মোট ভোটার ৮ লক্ষ ৪৬ হাজার ৩৬৬ জন।


যে ১২টি পুরসভায় ভোটগ্রহণ চলছে--
গুসকরা (বর্ধমান), বর্ধমান টাউন (বর্ধমান), পানিহাটি (উত্তর ২৪ পরগনা), হাবরা (উত্তর ২৪ পরগনা),দুবরাজপুর (বীরভূম), চাকদহ (নদিয়া),ডালখোলা (মালদা), আলিপুরদুয়ার (জলপাইগুড়ি), মেখলিগঞ্জ (কোচবিহার), হলদিবাড়ি (কোচবিহার), বালুরঘাট (উত্তর দিনাজপুর),ডায়মন্ডহারবার (দক্ষিণ ২৪ পরগনা)।