অধীরের ঘাঁটিতে তৃণমূলের হানা

অধীর চৌধুরীর খাসতালুকে ভাঙন ধরাতে এবার সক্রিয় হল তৃণমূল কংগ্রেস। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে দল ভাঙানোর এই প্রক্রিয়ার দায়িত্বে রয়েছেন মুকুল রায়। তৃণমূলের দাবি, বহু অধীর ঘনিষ্ঠ তাদের দলে আসতে চলেছেন। যদিও, কংগ্রেসের পাল্টা বক্তব্য, টাকা দিয়ে দল ভাঙাচ্ছে তৃণমূল। সোমবারই জেলা পরিষদের ১০ জন সদস্য কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যতম লক্ষ্য ছিল অধীর চৌধুরীর তালুকে ভাঙন ধরানো।

Updated: Mar 12, 2012, 05:45 PM IST

অধীর চৌধুরীর খাসতালুকে ভাঙন ধরাতে এবার সক্রিয় হল তৃণমূল কংগ্রেস। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে দল ভাঙানোর এই প্রক্রিয়ার দায়িত্বে রয়েছেন মুকুল রায়। তৃণমূলের দাবি, বহু অধীর ঘনিষ্ঠ তাদের দলে আসতে চলেছেন। যদিও, কংগ্রেসের পাল্টা বক্তব্য, টাকা দিয়ে দল ভাঙাচ্ছে তৃণমূল। সোমবারই জেলা পরিষদের ১০ জন সদস্য কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। দীর্ঘদিন ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অন্যতম লক্ষ্য ছিল অধীর চৌধুরীর তালুকে ভাঙন ধরানো।
বারবার, পিছু হটতে হলেও অবশেষে লক্ষ্য পূরণে  সফল হল তৃণমূল। মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ এক সদস্য কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। তাঁরই সঙ্গে যোগ দিয়েছেন কান্দি পঞ্চায়েত সমিতির ১১ জন কংগ্রেস সদস্য। তৃণমূলের শীর্ষনেতা মুকুল রায়ের দাবি, আসছেন আরও অনেকেই।

সূত্রের খবর তৃণমূলের জালে রয়েছেন কংগ্রেসের আরও বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা। এমনকি, শোনা যাচ্ছে সিদ্দিকা বেগমের মতো জেলার শীর্ষনেত্রীর সঙ্গেও দলবদল নিয়ে কথা অনেক দূর এগিয়েছে। মুর্শিদাবাদ থেকে কলকাতায় কয়েকজনকে ডেকেও চলছে আলাপ-আলোচনা। কংগ্রেসের অবশ্য দাবি, অর্থ দিয়ে দল ভাঙাচ্ছে তৃণমূল।
কেন তৃণমূলের লক্ষ্য মুর্শিদাবাদ জেলা? তার অন্যতম কারণ, দীর্ঘদিন ধরে অধীর চৌধুরীর সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংঘাত চরমে। ইতিমধ্যেই, অধীর চৌধুরী ঘোষণা করে দিয়েছেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনে এই জেলায় একাই লড়বেন তাঁরা। সেকারণেই, কংগ্রেসের ঘর ভেঙে নিজেদের সাংগঠনিক শক্তিকে মজবুত করতে তৃণমূলের এই প্রয়াস। কংগ্রেস নেতৃত্বের অবশ্য বিশ্বাস, কয়েকজন চলে গেলেও অধীর চৌধুরীর শক্তিশালী ঘাঁটিতে তৃণমূলের পক্ষে কিছুই করা সম্ভব হবে না।