নলহাটিতে গ্রেফতার বাম প্রার্থী, প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন

Update: June 3, 2012 01:02 IST

ভোট শুরু হওয়ার ঠিক আগে নলহাটি পুরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী সুব্রত দত্তকে গ্রেফতার করল পুলিস। সুব্রতবাবু-সহ আরও বেশ কয়েকজন বাম প্রার্থীকে গ্রেফতার করে জেলাসদর সিউড়িতে চালান করে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

অভিযোগ, শনিবার রাতে নলহাটির ৮ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থীকে মারধর করে তৃণমূল কর্মীরা। প্রতিবাদে থানার সামনে বিক্ষোভ ও অবরোধে সামিল হন বাম কর্মী সমর্থকেরা। তখন লাঠিচার্জ করে পুলিস। পুলিসের লাঠিতে আহত হন বেশ কয়েকজন। আহতদের মধ্যে মহিলারাও রয়েছেন। এর পর হঠাত্‍ই তৃণমূল নেতারা থানায় পৌঁছন। অভিযোগ, কেন্দ্রীয় এক মন্ত্রীর ফোন আসার পর বাম প্রার্থী ও কর্মীদের আটক করে পুলিশ। নলহাটি পুরসভার ওই ওয়ার্ড থেকে ভোটে লড়াই করছেন বিদায়ী পুরপ্রধান। তাঁকে জেতানোর জন্য তৃণমূল মরিয়া হয়ে এই কাজ করেছে বলে অভিযোগ বামেদের। আরও অভিযোগ, শনিবার রাত ৮টার পর পুর এলাকার বিস্তীর্ণ এলাকায় আলো বন্ধ করে দেওয়া হয়। এলাকায় শুরু হয় বহিরাগতদের দাপট। ওদিকে প্রার্থীর স্বাক্ষর না-থাকায় ৮ নম্বর ওয়ার্ডে এজেন্টকে বুথে ঢুকতে দেয়নি তৃণমূল। প্রশ্ন উঠছে, দু পক্ষই অভিযোগ দায়ের করলেও শুধু বাম প্রার্থী ও কর্মীদের কেন গ্রেফতার করল পুলিস?  

এলাকায় নামানো হয়েছে বিশাল পুলিস বাহিনী । ওদিকে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।







Post Your Comment

Total Comments:3

Didi apni ai result dekhe kichu bujhlen...???

Didi apni ai result dekhe kichu bujhlen...???

chi!!!!!!!!!

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।