অগ্নিগর্ভ রতুয়া, কুড়ুলের কোপ ওসিকে

Update: March 28, 2012 15:16 IST

অভিযুক্তকে ধরতে গিয়ে কুড়ুলের কোপে আহত হলেন খোদ থানার ওসি। মালদার রতুয়ায় মঙ্গলবার রাতে এই ঘটনা ঘটে। দুষ্কৃতীদের মারে আহত হয়েছেন আরও ২ পুলিস কর্মী। তাঁদের একজন এস আই। অন্যজন কনস্টেবল।

১০০ দিনের কাজে দুর্নীতি চলছে অভিযোগ করেছিলেন রতুয়া ব্লকের বিডিও। সেই মতো অভিযুক্তদের ধরতে মঙ্গলবার রাতে হানা দেয় পুলিস। রতুয়ার পীরগঞ্জ গ্রামপঞ্চায়েতের সাতমারিতে দুষ্কৃতীরা পুলিসের গাড়িতে হামলা চালায়। রতুয়া থানার ওসি সুমন্ত বিশ্বাসকে কুড়ুল দিয়ে আঘাত করা হয়। দুষ্কৃতীদের মারে আহত হন এস আই অভিষেক তালুকদারও। দুর্নীতির অভিযোগে পুলিস যাদের আটক করেছিল, তাদের ছাড়িয়ে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা।

আহত ওসি এবং এস আই মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিত্সাধীন। রতুয়া হাসপাতালে আহত কনস্টেবলের চিকিত্সা চলছে।  এর আগে রতুয়া থানার এস আই এক সনত কর্মকার এক অপহরণে অভিযুক্তকে ধরতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছিলেন দুষ্কৃতীদের হাতে।





Post Your Comment

Total Comments:1

RE-ITERATION OF THE UNDECENT INCIDENT

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।