ভদ্রেশ্বর থানার ওসি`র বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করল সিআইডি

Update: April 24, 2012 12:36 IST

ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত ভদ্রেশ্বর থানার ওসি মিঠুন ব্যানার্জির বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করল সিআইডি। বুধবার অভিযুক্ত ওসি`কে জেরার জন্য ভবানীভবনে ডেকে পাঠায় সিআইডি। এক মহিলাকে ধর্ষণের অভিযোগের জেরে মঙ্গলবারই ক্লোজ করা হয় ভদ্রেশ্বর থানার ওসি মিঠুন ব্যানার্জিকে। তাঁর পরিবর্তে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মগরা থানার প্রাক্তন ওসি অরূপ ভৌমিককে।

মঙ্গলবার ভদ্রেশ্বর থানায় যান সিআইডির স্পেশাল সুপার তমাল বসু। সেখানে ডিআইজি ও জেলা পুলিস সুপারের সঙ্গে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেন সিআইডির কর্তা। সেখান থেকে অভিযোগকারী মহিলাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চুঁচুড়া মহিলা থানায় যান তদন্তকারীরা। তবে ডাক্তারি পরীক্ষায় মহিলার অভিযোগের সপক্ষে যথেষ্ট প্রমাণ মেলেনি বলে জানিয়েছেন পুলিসকর্তারা। এদিন সকালে ভদ্রেশ্বর থানার ওসির বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করেন এক মহিলা।

অভিযোগ, গত ২১ এপ্রিল ডাকাতির মামলায় জামিন পান অভিযোগকারী মহিলার স্বামী। স্বামীর ব্যাপারে কথা বলার নাম করে নিজের কোয়ার্টারে ডেকে পাঠিয়ে ওই মহিলাকে ধর্ষণ করেন ভদ্রেশ্বর থানার ওসি মিঠুন ব্যানার্জি। চন্দননগর হাসপাতালে মহিলার শারীরিক পরীক্ষা করা হয়। হাসপাতালে গিয়ে তাঁর কাছ থেকে অভিযোগ গ্রহণ করেন হুগলির অতিরিক্ত পুলিস সুপার অমিতাভ ভার্মা।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।