ধর্মঘটে হাজির না থাকার শাস্তি, কান কাটা হল আধিকারিকের

মধ্যযুগীয় বর্বরতার সাক্ষী থাকল মুর্শিদাবাদের জলঙ্গির বেণীপুর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস। ধর্মঘটের দিন অফিসে হাজির না হওয়ায় ব্যাপক মারধর করে এক পঞ্চায়েত অফিসারের কান কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে।

Updated: Feb 21, 2013, 02:27 PM IST

মধ্যযুগীয় বর্বরতার সাক্ষী থাকল মুর্শিদাবাদের জলঙ্গির বেণীপুর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস। ধর্মঘটের দিন অফিসে হাজির না হওয়ায় ব্যাপক মারধর করে এক পঞ্চায়েত অফিসারের কান কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে। 
গতকাল অফিসে হাজির হননি পঞ্চায়েতের এক্সিকিউটিভ অ্যাসিসটেন্ট হজর ওমর। আজ সকালে যখন তিনি কাজে যোগ দেন, সে সময় তাঁর ওপর হামলা হয় বলে অভিযোগ। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিত্সাধীন ওই আধিকারিক। ঘটনার প্রতিবাদে বেণীপুরের পঞ্চায়েত কর্মীরা জলঙ্গির বিডিও অফিসে বিক্ষোভ দেখান।
অন্যদিকে,গতকাল সাধারণ ধর্মঘটের দিন  স্কুল বন্ধ রাখায় আজও স্কুল খুলতে দেওয়া হল না। স্কুলের সামনে মঞ্চ বেধে প্রধানশিক্ষককে বসিয়ে রেখে চলল শারীরিক ও মানসিক নিগ্রহ। গোটা ঘটনাই ঘটে স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের সামনেই। আজ সকালে এই ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়া নেতাজি কলোনি উচ্চবিদ্যালয়ের সামনে। অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে। বেশ কিছুক্ষণ মঞ্চে বসিয়ে রাখার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন প্রধানশিক্ষক মনিগোপাল বিশ্বাস। এরপর তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।  
একই ভাবে আজ স্কুল  দক্ষিণ ২৪ পরগনার মন্দির বাজারের ঝাঁপবেড়িয়া হাইস্কুল, হুগলির চণ্ডীতলার কলাছড়া হাইস্কুল, কালনার বিরুহা শরতচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়, হুগলির চণ্ডীতলার কলাছড়া স্কুলে একই কায়দায় শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্র-ছাত্রীদের  স্কুলে ঢুকতে বাধা দিলেন তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা।