আলিপুরদুয়ার বোমাকাণ্ডে গ্রেফতার ১

Update: October 12, 2012 10:48 IST

আলিপুরদুয়ারের বাস থেকে টাইম বোমা উদ্ধারের ঘটনায় এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করল পুলিস। গতকাল সন্ধেয় শামুকতলা থেকে টিঙ্কু দাস নামে ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিস। বুধবার গভীর রাতে জয়গা থেকে সঙ্কোশগামী একটি বাস থেকে অত্যাধুনিক টাইম বোমা উদ্ধার করেছিল পুলিস। ভুটান সীমান্ত থেকে আসা ওই বাসে কোথা থেকে বোমা এল তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে।

স্কুলব্যাগে টাইম বোমা রাখা আছে যাত্রীবাহী বাসের ভিতর। বুধবার রাতে গোপন সূত্রে এই খবর পাওয়ার পরই  জয়গাঁ থেকে সঙ্কোশগামী বাসটিকে আটকায় শামুকতলা থানার পুলিস। গদাধর নদীর ব্রিজের কাছে বাসটিকে থামিয়ে উদ্ধার করা হয় বোমাসহ ব্যাগ। বম্ব স্কোয়াডের স্নিফার ডগ প্রাথমিকভাবে বোমাটিকে নিষ্ক্রিয় বলে জানায়। কিন্তু পরে জলপাইগুড়ি থেকে বম্ব স্কোয়াডের সদস্যরা এসে দেখেন বোমাটি সক্রিয় রয়েছে। রাতেই তাঁরা সেটিকে নিষ্ক্রিয় করে। একটি প্লাস্টিকের জারের ভিতর থাকার জন্যই স্নিফার ডগ বোমার অস্তিত্ব টের পায়নি বলে জানিয়েছে পুলিস।
 
যাত্রীবাহী বাস থেকে বোমা উদ্ধারের ঘটনায় নড়ে চড়ে বসছে উত্তরবঙ্গ পুলিস প্রশাসন। ওই ঘটনায় কোনও জঙ্গি সংগঠনের হাত রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিস।
 

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।