দুবরাজপুরকাণ্ডে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে চাপ বাড়াচ্ছে বিরোধীরা

Update: November 12, 2012 10:10 IST

দুবরাজপুরকাণ্ড নিয়ে আজ রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছে বাম পরিষদীয় দলের সদস্যরা। সূর্যকান্ত মিশ্রের নেতৃত্বে এদিন বিকেলে রাজভবনে যাবেন বাম নেতারা। 

দুবরাজপুরের ঘটনায় রাজ্য সরকারের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ বামফ্রন্ট। লোবা গ্রামে গুলি চালানোর ঘটনা সরকার এখন ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। ইতিমধ্যেই এই অভিযোগে সরব হয়েছেন বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্র। অন্যদিকে, আজ লোবা গ্রামে যাচ্ছেন কেন্দ্রীয় নগরোন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী দীপা দাশমুন্সি। তিনিও একই ইস্যুতে রাজ্য সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছেন। ঘটনার সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস। গত ৭ নভেম্বর জমি আন্দোলনে পুলিসের গুলিচালনার ঘটনা ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজ্য রাজনীতি। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয় বুলেট। যদিও সরকারের দাবি পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়, পুলিস গুলি চালায়নি।     

Post Your Comment

Total Comments:5

Gayer jorer rajnity cholchhe ki bola jabe 18 masher sarkar to tai ektu nabalok ektu boyosh hok tahole bujhte parbe Kothai bole purono chal vate bari

Gayer jorer rajnity cholchhe ki bola jabe 18 masher sarkar to tai ektu nabalok ektu boyosh hok tahole bujhte parbe Kothai bole purono chal vate bari

Gayer jorer rajnity cholchhe ki bola jabe 18 masher sarkar to tai ektu nabalok ektu boyosh hok tahole bujhte parbe Kothai bole purono chal vate bari

Gayer jorer rajnity cholchhe ki bola jabe 18 masher sarkar to tai ektu nabalok ektu boyosh hok tahole bujhte parbe Kothai bole purono chal vate bari

DUBORAJPUR KANDE BANGLAR SAI SUSIL SAMAJER POKHYO THEKE EKHONO PORJONTO KONO BIBRITI DEKHETE PELAM NA. KICHU BOLLE JODI DIDI RUSTHO HON TAI KI AI NIROBOTA?

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।