পঞ্চায়েত ভোট: জেদ ছেড়ে মমতা নির্ধারিত সময়ের ভোটেই রাজি

Update: January 31, 2013 20:10 IST

শেষপর্যন্ত পঞ্চায়েত নির্বাচন এগিয়ে আনার সিদ্ধান্ত থেকে সরে এলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ শিলিগুড়িতে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, নির্দিষ্ট সময়েই পঞ্চায়েত নির্বাচন হবে। কিন্তু কেন পঞ্চায়েত নির্বাচন এগিয়ে আনার অবস্থান থেকে সরে এলেন মুখ্যমন্ত্রী? তিনি বলেছেন বিরোধীরা মে মাসেই নির্বাচন চাইছে। তাই এই সিদ্ধান্ত। বিরোধীদের প্রশ্ন, সরকার কি পঞ্চায়েত নির্বাচন করতে প্রস্তুত?

পঞ্চায়েত নির্বাচন এগিয়ে আনা নিয়ে সরকার আর বিরোধী পক্ষের টানাপোড়েন রীতিমত প্রতিদিনের বাগযুদ্ধের পর্যায়ে চলে গিয়েছিল। বৃহস্পতিবার সেই যুদ্ধের ইতি টানলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘোষণা করলেন নির্বাচন এগিয়ে আসছে না। নির্বাচনে শীতকালীন সুবিধা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন বিরোধী দলনেতা সূর্যকান্ত মিশ্র। একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীকে বিরোধীদের পাল্টা প্রশ্ন, অপ্রস্তুতি কারণেই কি নির্দিষ্ট সময়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনের সিদ্ধান্ত?

Post Your Comment

Total Comments:3

ABAR DHAKKA,AR KOTO DHAKKA KHABE?

পঞ্চায়েত? ভোট? এসব কথা তোলা ক্যান? সব মানুষের উন্নতি চাই ব্যাস আবার কি? মুকুল বলবে বিকশিত হবে।

It is clear from the current happenings that Mamata banerjee, TMC supremo, is not willing to face Panchayat Election before May 2013.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।