পাঁশকুড়ায় তৃণমূলের হেনস্থার শিকার কমিশনের কর্মীরা

নির্বাচন কমিশনের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে। পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ায় এই ঘটনা ঘটেছে। তৃণমূলের দাবি, তাঁদের দলীয় কার্যালয় থেকে পোস্টার-হোর্ডিং খুলে ফেলেন কমিশনের কর্মীরা।

Updated: May 26, 2012, 11:25 PM IST

নির্বাচন কমিশনের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে। পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়ায় এই ঘটনা ঘটেছে। তৃণমূলের দাবি, তাঁদের দলীয় কার্যালয় থেকে পোস্টার-হোর্ডিং খুলে ফেলেন কমিশনের কর্মীরা। প্রায় দেড় ঘণ্টা জোর করে আটকে রাখা হয় নির্বাচন কমিশনের লোকজনকে। শেষপর্যন্ত তাঁদের উদ্ধার করে পুলিস। হলদিয়ার ১১ নম্বর ওয়ার্ডে সিপিআইএম প্রার্থীকে প্রচারে বাধা ও হেনস্থার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে।     
পুরভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই বেড়ে চলেছে অশান্তি-বিশৃঙ্খলা। এতদিন বিভিন্ন জেলা থেকে প্রার্থীকে হেনস্থার কিংবা প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠছিল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এবার আক্রান্ত হলেন নির্বাচন কমিশনের কর্মীরা। আর এবারও কাঠগড়ায় তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচনী বিধিমতো সরকারি সমস্ত জায়গা থেকে রাজনৈতিক দলগুলির হোর্ডিং, ফ্লেক্স, পোস্টার খোলার জন্য শনিবার পাঁশকুড়ার ৮ নম্বর ওয়ার্ডে যান নির্বাচন কমিশনের কর্মীরা। কিন্তু কাজ চলার সময় তৃণমূল কর্মীরা আচমকা কমিশনের লোকজনের সঙ্গে বচসা শুরু করে দেন বলে অভিযোগ। দলীয় কার্যালয় থেকে হোর্ডিং-পোস্টার খোলা হয়েছে, এই দাবি তুলে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা।
 
তাঁদের উদ্দেশ্য করে গালিগালাচ করা হয় বলেও অভিযোগ নির্বাচন কমিশনের কর্মীদের। পরে পুলিস গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে তাঁদের উদ্ধার করে। অন্য একটি ঘটনায় সিপিআইএম প্রার্থীকে প্রচারে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে। পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল প্রার্থী এই অভিযোগ করেছেন। শুধু চিরঞ্জীবপুরই নয়, আশেপাশের এলাকায় প্রচারে বেরিয়েও তৃণমূলের হাতে একইভাবে হেনস্থার অভিযোগ করেছেন ক্ষুব্ধ প্রার্থী। ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা রয়েছে। এধরনের ঘটনা আটকাতে প্রশাসনের তরফে কড়া পদক্ষেপের দাবি তুলেছেন স্থানীয় সিপিআইএম নেতারা।